📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আশুলিয়ার ঝুট কাপড়ে নতুন স্বপ্ন: কর্মসংস্থান থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়

আশুলিয়ার ঝুট কাপড়ে নতুন স্বপ্ন: কর্মসংস্থান থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয়

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাভারের আশুলিয়ার কবিরপুর এলাকায় পোশাক কারখানার অব্যবহৃত ঝুট কাপড় দিয়ে পাপোশ ও কার্পেট তৈরির মাধ্যমে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। দক্ষ কারিগর থেকে শুরু করে ঘরে বসে কাজ করা নারীরাও এখন স্বাবলম্বী হচ্ছেন

সাভারের আশুলিয়ার কবিরপুর এলাকায় পোশাক কারখানার ফেলে দেওয়া ঝুট কাপড় এখন আর বর্জ্য নয়; বরং তা হয়ে উঠেছে বহু পরিবারের জীবিকার উৎস। ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে ওঠা ছোট ছোট কারখানায় কর্মসংস্থান হয়েছে স্থানীয় বেকার যুবক-যুবতী ও নারীদের।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রতি টন ঝুট কাপড় গড়ে ২৭ হাজার টাকায় কেনা হয়, যা থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০টি পাপোশ তৈরি করা যায়
  • 📌 পাপোশ তৈরির কারখানায় কর্মরত কারিগররা প্রতি পিস হিসেবে ৮ থেকে ৩৫ টাকা পর্যন্ত মজুরি পান
  • 📌 একজন দক্ষ কারিগর দৈনিক গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করতে পারেন
  • 📌 শামীম নামে এক উদ্যোক্তার কারখানায় বর্তমানে ২৫টি তাঁত রয়েছে এবং প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৩৫০টির বেশি পাপোশ তৈরি হয়
  • 📌 এই শিল্পের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি পরিবেশের ওপর চাপ কমছে

📰 বিস্তারিত

সাভারের আশুলিয়ার কবিরপুর এলাকায় পোশাক কারখানার অব্যবহৃত ঝুট কাপড় দিয়ে পাপোশ, কার্পেটসহ বিভিন্ন ধরনের গৃহসামগ্রী তৈরির মাধ্যমে স্থানীয়দের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। একসময় এসব ঝুট কাপড় ফেলে দেওয়া হতো বা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু বর্তমানে তা পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে বাহারি নকশা ও রঙের পাপোশ।

স্থানীয় উদ্যোক্তা শামীম জানান, তিনি একসময় ভারতে গিয়ে ঝুট কাপড় দিয়ে পাপোশ তৈরির কারখানায় কাজ করেছেন। পরে নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁওয়ে কাজ শুরু করেন। তবে পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় তিনি আশুলিয়ায় কারখানা গড়ে তোলেন। তার কারখানায় বর্তমানে ২৫টি তাঁত রয়েছে এবং প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৩৫০টির বেশি পাপোশ তৈরি হয়। কারিগর, সহকারী ও অন্যান্য কর্মচারী মিলিয়ে প্রায় ৫০ জন কাজ করছেন। তাদের প্রত্যেকে দৈনিক গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় করেন।

এছাড়া কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানায় কাজ শিখে নিজের খরচ মেটাচ্ছেন কারিগর মানিক মিয়া। তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে মজুরি বাড়ানো প্রয়োজন। অন্যদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন মনে করেন, বেকারদের স্বল্প সুদে ঋণ ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করলে এই শিল্প আরও বড় পরিসরে গড়ে তোলা সম্ভব।

"প্রথমে পাঁচটি তাঁত দিয়ে কারখানা শুরু করি। দক্ষ কারিগর না থাকায় আশপাশের বেকার যুবকদের ডেকে এনে কাজ শেখাই। শুরুতে নোংরা-ময়লা কাপড় দেখে অনেকেই কাজ করতে চাইত না। পরে প্রতিদিনের আয় হাতে পেয়ে তারা উৎসাহী হয়ে ওঠে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কবিরপুর, সাভার, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামীম (উদ্যোক্তা), মানিক মিয়া (কারিগর), আনোয়ার হোসেন (ব্যবসায়ী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি টন ঝুট কাপড় ২৭ হাজার টাকা, প্রতি পিস পাপোশ ৮ থেকে ৩৫ টাকা, দৈনিক আয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖