📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির এমপি ড. আতিক মুজাহিদ সরকারকে নতুন পে-স্কেল দেওয়া হবে কি না তা স্পষ্ট করতে বলেছেন। তিনি শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে রাজনীতি থেকে মুক্ত রাখার আহ্বান জানান
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ সরকারকে নতুন পে-স্কেল দেওয়া হবে কি না তা স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন। শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত ‘শিক্ষা খাতে সুশাসন: নিয়োগ, বরাদ্দ, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমপি ড. আতিক মুজাহিদ সরকারকে নতুন পে-স্কেল দেওয়া হবে কি না তা স্পষ্ট করার দাবি জানান
- 📌 শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে রাজনীতি থেকে মুক্ত রাখার আহ্বান জানান তিনি
- 📌 শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন
- 📌 শিক্ষকদের বেতন বৈষম্যের কঠোর সমালোচনা করেন
📰 বিস্তারিত
ড. আতিক মুজাহিদ তার বক্তব্যে বারবার সরকারের নতুন পে-স্কেল দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা বলা হলেও বাস্তবে ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নানা অসংগতি রয়েছে। বিশেষ করে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগ ছেড়ে দিলে অযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের আশঙ্কা থাকে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি শিক্ষাব্যবস্থায় মেধা, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানান। শিক্ষকদের বেতন ও অবকাঠামোগত বৈষম্যের বিষয়েও তিনি কঠোর সমালোচনা করেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে মসজিদ নির্মাণ করা হলেও সেখানকার ইমামের বেতন মাত্র ৪ হাজার টাকা—যা অত্যন্ত দুঃখজনক বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি শিক্ষক অ্যালায়েন্সের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. আব্দুর রহমান রিজভী। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষকেরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে চান, কিন্তু পেটের দায়ে তাদের রাজপথে নামতে বাধ্য করা হচ্ছে। এমপিওভুক্তির দীর্ঘমেয়াদি জটিলতার কারণে দেশের হাজার হাজার শিক্ষক বিনা বেতনে মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
"শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। এসব বিষয়ে রাজনীতি করা হলে জাতি ধ্বংস হয়ে যাবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিট (ডিআরইউ)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আতিক মুজাহিদ, এমপি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক মো. আব্দুর রহমান রিজভী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭-৮ হাজার টাকা (শিক্ষকদের বেতন)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ কোটি টাকা (মসজিদ নির্মাণ ব্যয়)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ হাজার টাকা (ইমামের বেতন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!