📌 এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বিদ্যুৎ সঙ্কটের মূল কারণ হিসেবে আমদানিনির্ভরতা ও বেসরকারিকরণের রাজনৈতিক অর্থনীতি চিহ্নিত করেছেন। তিনি কয়লা ব্যবহারের সম্ভাবনা পরিত্যাগ করে এলএনজি ও আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরতার সমালোচনা করেন
ঢাকার বিজয়নগরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বিদ্যুৎ সঙ্কটের মূল কারণ হিসেবে আমদানিনির্ভরতা ও বেসরকারিকরণের রাজনৈতিক অর্থনীতি চিহ্নিত করেছেন।
🔴 মূল অভিযোগসমূহ
- 📌 বিদ্যুৎ সঙ্কটের মূল কারণ কয়লা নয়, বরং আমদানিনির্ভরতা ও বেসরকারিকরণের রাজনৈতিক অর্থনীতি।
- 📌 দেশে আগামী ৫০-৬০ বছর ব্যবহারের মতো কয়লা মজুদ থাকার পরও পরিবেশের অজুহাতে তা ব্যবহার না করে উচ্চমূল্যের এলএনজি ও আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি।
- 📌 কুইক রেন্টালের নামে বিদ্যুৎ খাতের বেসরকারিকরণ ও উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎ ক্রয়চুক্তির ফলে রাষ্ট্রকে নিয়মিত আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।
- 📌 বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ এবং জনগণের বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির প্রধান কারণ আমদানিনির্ভরতা।
📰 বিস্তারিত
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ রাজধানীর বিজয়নগরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ সঙ্কটের মূল কারণ হিসেবে আমদানিনির্ভরতা ও বেসরকারিকরণের রাজনৈতিক অর্থনীতি চিহ্নিত করেন। তিনি বলেন, কয়লা ময়লা নয়; বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সঙ্কটের মূল সমস্যা কয়লা নয়। দেশে আগামী ৫০-৬০ বছর ব্যবহারের মতো কয়লা মজুদ থাকার পরও পরিবেশের অজুহাতে তা ব্যবহার না করে উচ্চমূল্যের এলএনজি, আমদানিকৃত কয়লা ও তরল জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ এবং জনগণের বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর বহু শিল্পোন্নত দেশ দীর্ঘদিন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ ও শিল্পায়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন করেছে। পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে; তবে বাংলাদেশের নিজস্ব জ্বালানি সম্পদ ব্যবহারের সম্ভাবনাকে একেবারে পরিত্যাগ করে আমদানিনির্ভর হওয়া আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক বলেন, সীমিত প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার করা হলেও ইউরিয়া সার উৎপাদন, রফতানিমুখী শিল্প, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। গ্যাসকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে সার, শিল্প ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির কাজে ব্যবহার করতে হবে।
"সবার আগে বাংলাদেশের পরিবর্তে সবার আগে লুটপাটতন্ত্র কায়েমের চেষ্টা এবং জ্বালানি খাতকে বেসরকারিকরণের উদ্যোগের মধ্যে দিয়ে পাকাপোক্তভাবে লুটপাটের আয়োজন চলছে। দেশে আগামী ৫০-৬০ বছর ব্যবহারের মতো কয়লা মজুদ থাকার পরও পরিবেশের অজুহাতে তা ব্যবহার না করে উচ্চমূল্যের এলএনজি, আমদানিকৃত কয়লা ও তরল জ্বালানির ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ এবং জনগণের বিদ্যুৎ বিল- সবই বেড়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার বিজয়নগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ বছর, ৬০ বছর, ৬৩ হাজার কোটি টাকা, ১০ হাজার মেগাওয়াট, ২০ হাজার মেগাওয়াট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!