📌 নীলফামারীর চিলাহাটি স্থলবন্দর প্রকল্পে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয় হলেও তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় অর্থনীতি বিপর্যস্ত। ২০২৪ সাল থেকে স্থলবন্দরটির কার্যক্রম স্থগিত থাকায় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন
উত্তরের জেলা নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় অবস্থিত চিলাহাটি স্থলবন্দরের অবকাঠামোগুলো এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বহুমুখী স্টেশন ভবন, ওভারব্রিজ, যাত্রীছাউনি ও গার্ডরুমগুলো ধুলায় বিবর্ণ হয়ে গেছে। স্থলবন্দরটির কার্যক্রম ২০২৪ সালে থেমে যাওয়ার পর থেকে স্থানীয় অর্থনীতি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চিলাহাটি স্থলবন্দরের অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা
- 📌 স্থলবন্দরটির কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ২০২১ সালের ১ আগস্ট
- 📌 যাত্রীবাহী ট্রেন ‘মিতালি এক্সপ্রেস’ চালু হয়েছিল ২০২২ সালে
- 📌 ২০২৪ সালে স্থলবন্দরটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়
- 📌 স্থলবন্দরটি পুনরায় চালু করতে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের সম্মতি প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
স্থলবন্দরটির অবকাঠামোগুলোর মধ্যে রয়েছে বহুমুখী স্টেশন ভবন, ওভারব্রিজ, যাত্রীছাউনি, গার্ডরুম ও রেললাইন। প্রকল্প পরিচালক মো. আবদুর রহিম জানান, প্রকল্পটির প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮০ কোটি টাকা। পরবর্তীতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ১২৮ কোটি টাকা। রেলের ওয়াগন, রাস্তা, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খাতে মোট ব্যয় হয়েছিল প্রায় ২০০ কোটি টাকা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হোসেন জানান, স্থলবন্দরটির মাধ্যমে পণ্য পরিবহন শুরু হওয়ার পর স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। তবে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁরা কাজ হারিয়েছেন। তিনি বলেন, স্থলবন্দরটি দ্রুত পুনরায় চালু করা প্রয়োজন।
স্থানীয় স্টেশন মাস্টার রুহুল আমিন জানান, ২০২১ সাল থেকে মূলত পাথরবোঝাই ট্রেন ভারত থেকে বাংলাদেশে আসত। মাসে চার থেকে পাঁচটি মালবাহী ট্রেন চলাচল করত। তবে ২০২৪ সালের মে মাসে ভারতে পাথরের দাম বেড়ে যাওয়ায় পণ্য পরিবহন কমে যায় এবং পরবর্তীতে তা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায়।
"স্থলবন্দরটির মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি চাঙা হওয়ার যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা এখন ফিকে হয়ে এসেছে। দ্রুত কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা না হলে স্থানীয় মানুষ আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা, চিলাহাটি স্থলবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকল্প পরিচালক মো. আবদুর রহিম, স্টেশন মাস্টার রুহুল আমিন, স্থানীয় ব্যবসায়ী তোজাম্মেল হোসেন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩০ (কোটি টাকা), ১২৮ (কোটি টাকা), ২০০ (কোটি টাকা), ২০২১ (সাল), ২০২২ (সাল), ২০২৪ (সাল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!