📌 সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বর দিলে বিনিয়োগকারীদের সমস্যা কমাতে আজ থেকে চালু হচ্ছে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস)। এই ব্যবস্থায় ব্যাংক হিসাব নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে, যা ইএফটি ফেরত আসার ঝুঁকি কমাবে
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বর দিলে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক সমস্যা হচ্ছিল। এ সমস্যা দূর করতে আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস)। এই নতুন ব্যবস্থায় সঞ্চয়পত্র কেনার সময় দেওয়া ব্যাংক হিসাব নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে, যা ইএফটি ফেরত আসার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **আজ** থেকে সঞ্চয়পত্রের লেনদেনে চালু হচ্ছে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস)
- 📌 **৯টি** জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের লেনদেন এনএসসি সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত; নিবন্ধিত গ্রাহক **৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন**
- 📌 প্রতিদিন গড়ে **১ লাখ ৭৫ হাজার** ইএফটি মাধ্যমে মুনাফা ও মূল টাকা পরিশোধ; **৮ হাজার** নতুন সঞ্চয়পত্র ইস্যু
- 📌 হিসাব নম্বর স্বয়ংক্রিয় যাচাই করলে ভুল তথ্যের কারণে টাকা ফেরত আসার ঘটনা কমবে
- 📌 **১১টি** জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে **৯টি** এনএসসি সিস্টেমে পরিচালিত
📰 বিস্তারিত
সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ও মূল টাকা পেতে ভুল ব্যাংক হিসাব নম্বর দিলে বিনিয়োগকারীদের ব্যাপক সমস্যা হচ্ছিল। এ সমস্যা দূর করতে অর্থ বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহের সমন্বয়ে আজ থেকে কার্যকর হচ্ছে অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন সিস্টেম (এভিএস)। এই ব্যবস্থায় সঞ্চয়পত্র কেনার সময় দেওয়া ব্যাংক হিসাব নম্বর স্বয়ংক্রিয়ভাবে যাচাই করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারের ১১টি জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মধ্যে বর্তমানে ৯টি এনএসসি সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে নিবন্ধিত একক গ্রাহকের সংখ্যা ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন। প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১ লাখ ৭৫ হাজার ইএফটি মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা ও মূল অর্থ পরিশোধ করা হয়। একই সময়ে গড়ে ৮ হাজার নতুন সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা হচ্ছে।
এ পর্যন্ত গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের ব্যবস্থা থাকলেও ব্যাংক হিসাব নম্বর যাচাইয়ের সুযোগ ছিল না। ফলে হিসাব নম্বরের একটি অঙ্ক ভুল হলেও ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো অর্থ ফেরত আসত। পরে তথ্য সংশোধন করে আবার টাকা পাঠাতে হতো। এতে বিনিয়োগকারীর পাশাপাশি ইস্যু অফিস, জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর অতিরিক্ত কাজ বাড়ত। এমনকি ভুল তথ্যের কারণে একজনের প্রাপ্য অর্থ অন্যের হিসাবে চলে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকত। নতুন এভিএস ব্যবস্থায় এনএসসি সিস্টেমে হিসাব নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের মাধ্যমে সেটি যাচাই করা হবে। প্রথমে হিসাব নম্বরটি সঠিক ও সচল কি না, তা পরীক্ষা করা হবে। এরপর হিসাবধারীর তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করা হবে। ফলে টাকা পাঠানোর আগেই ভুল বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ তথ্য শনাক্ত করা সম্ভব হবে।
এভিএস চালুর ফলে ভুল হিসাব নম্বর এন্ট্রির হার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। একই সঙ্গে কমবে ইএফটি ফেরত আসার ঘটনাও। এতে বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি তথ্য সংশোধন ও পুনরায় টাকা পাঠানোর মতো অতিরিক্ত দাপ্তরিক কাজও কমবে। অর্থ বিভাগের মতে, এভিএস জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের ডিজিটাল সেবা আধুনিকায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বিত এই প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা সঞ্চয়পত্রের লেনদেনকে আরও নিরাপদ, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য করবে। প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক লেনদেন হওয়ায় সামান্য ভুলও অনেক গ্রাহকের সমস্যার কারণ হতে পারে। নতুন ব্যবস্থায় অর্থ পাঠানোর আগেই তথ্য যাচাই করা সম্ভব হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের প্রাপ্য অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে নির্ধারিত হিসাবে পৌঁছানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে বলে আশা করছে অর্থ বিভাগ।
"এভিএস চালুর ফলে ভুল হিসাব নম্বর এন্ট্রির হার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি কমার পাশাপাশি তথ্য সংশোধন ও পুনরায় টাকা পাঠানোর মতো অতিরিক্ত দাপ্তরিক কাজও কমবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (জাতীয় সঞ্চয় স্কিম)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিনিয়োগকারীরা, অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি স্কিম, ৯টি এনএসসি সিস্টেমে, ৩৯ লাখ ৪৬ হাজার ২২৪ জন নিবন্ধিত গ্রাহক, ১ লাখ ৭৫ হাজার ইএফটি, ৮ হাজার নতুন সঞ্চয়পত্র
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!