📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:৫৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এনবিআরের শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থায় নির্ভরযোগ্যতা প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এনবিআরের শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থায় নির্ভরযোগ্যতা প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় এনবিআরের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার সাফল্য নির্ভরশীলতা তুলে ধরেন। রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এ তিনি কর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও ডিজিটালাইজেশনের ওপর জোর দেন

বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়নের সাফল্য বহুলাংশে এনবিআরের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভরশীল। গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ-চীন আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় এনবিআরের ভূমিকাকে দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার সাফল্যের সঙ্গে যুক্ত করেন
  • 📌 রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এ এনবিআরের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়
  • 📌 কর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও ডিজিটালাইজেশন প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী
  • 📌 রাজস্ব আহরণে কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে নির্দেশনা প্রদান

📰 বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভূমিকাকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জনগণ এনবিআরকে নির্ভরযোগ্য ও আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়। এনবিআরের কার্যক্রমের সাফল্যের ওপরই সরকারের সব উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সফলতা বহুলাংশে নির্ভরশীল।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ-চীন আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬-এর প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক) ও শুল্ক বিভাগ নিজেদের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করে।

সম্মেলনে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও কর ব্যবস্থাপনার ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এছাড়া মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা কর আদায়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

"আমি একটি আশা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশার কথা বলতে চাই। গত ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত সময়টিতে রাজস্ব আহরণের পরিমাণ ছিল ইতিবাচক। এটি প্রমাণ করে আপনারা পারেন, আপনারাই পারেন এবং আপনারা অবশ্যই পারবেন ইনশাআল্লাহ।"

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প নেই। তিনি উল্লেখ করেন যে, একজন করদাতাকে সম্মানিত করার পাশাপাশি ইচ্ছাকৃত কর পরিহারকারীদেরও যথাযথভাবে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। কর ব্যবস্থাপনা সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত হওয়া প্রয়োজন যাতে মানুষ স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উৎসাহিত হন।

তিনি আরও বলেন, একই করদাতার ওপর বারবার করের বোঝা বৃদ্ধির নীতি টেকসই নয়। বরং কর প্রদানে সক্ষম ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের যথাযথ নিয়মে করের আওতায় আনতে হবে। এজন্য ডিজিটাল ডাটাভিত্তিক কর প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ-চীন আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: রাজস্ব আহরণে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি (ফেব্রুয়ারি-জুন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖