📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, দেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতকে উচ্চতর স্তরে উন্নীত করতে জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করা হবে। আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ভ্যাকসিন ও বায়োসিমিলার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে
ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক গোলটেবিল বৈঠকে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত দেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ভ্যাকসিন ও বায়োসিমিলার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের ঘোষণা: আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে ভ্যাকসিন ও বায়োসিমিলার উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন
- 📌 দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে উচ্চতর স্তরে উন্নীত করতে জাতীয় কৌশল প্রণয়ন
- 📌 বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ
- 📌 সরকারি উদ্যোগে কেন্দ্রীয় ল্যাব সুবিধা তৈরির পরিকল্পনা
- 📌 তরুণ গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত গবেষণা তহবিল বৃদ্ধির ঘোষণা
📰 বিস্তারিত
রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত ‘জেনেরিক থেকে বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন: বায়ো-ইকোনমির পথে বাংলাদেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে পরবর্তী ধাপে উন্নীত করতে এবং বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে দ্রুত একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করা হবে।
সরকার জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ খাতের বিকাশ ও উচ্চমানের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সঠিক মান ও আন্তর্জাতিক স্কেল বজায় রেখে বায়োফার্মাসিউটিক্যাল ও ভ্যাকসিন গবেষণার প্রাথমিক অবকাঠামো তৈরি করতে হবে।
নতুন এই রূপান্তরে প্রায় দশ হাজার প্রশিক্ষিত দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। সরকার শুধু সাধারণ কর্মসংস্থান নয়, বিজ্ঞান ও গবেষণাকেন্দ্রিক উচ্চপর্যায়ের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি কনট্র্যাক্ট রিসার্চ অর্গানাইজেশন (সিআরও) গড়ে তোলা এবং বায়োসিমিলার নিয়ে নিজস্ব গবেষণার সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
অংশীজনদের সমন্বয়ে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় কৌশলপত্র চূড়ান্ত করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাত একযোগে কাজ করলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল বাজারে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
"আমাদের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে। এখন সময় এসেছে এটিকে বায়োসিমিলার, ভ্যাকসিন ও বায়োটেকনোলজির মতো উচ্চপর্যায়ের ধাপে রূপান্তর করার। এটিকে কেবল স্বাস্থ্য সুরক্ষার দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না, বরং জাতীয় অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ বছর, ৫ বছর, ১০ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!