📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ২০৩০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে বন্দরকে আধুনিক শিল্পহবল হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি
মোংলা বন্দরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি মূখ্য কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যাপক পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। বৃহস্পতিবার বাগেরহাটের মোংলায় অনুষ্ঠিত একটি সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে মোংলায় আরো শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে’।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১ ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্যে** মোংলা বন্দরকে আধুনিক শিল্পহবল হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 📌 **দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে** খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ অঞ্চলগুলিকে কেন্দ্র করে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পরিকল্পনা
- 📌 **চীনের সাথে চুক্তি** মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে আধুনিক পরিবহন, লজিস্টিকস ও শিল্প পরিকাঠামো নির্মাণের জন্য
- 📌 **পঞ্চগড়-মোংলা সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন** ও খান জাহান আলী বিমানবন্দর চালুর অগ্রাধিকার ঘোষণা
- 📌 **জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো** ও পরিবেশবান্ধব বন্দরসেবা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মোংলা বন্দরকে জাতীয় অর্থনীতির একটি পরিপূরক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক ব্যবস্থায় জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহ চেইন কার্যকর রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর এই ক্ষেত্রে একটি পরিপূরক ভূমিকা পালন করবে এবং দেশীয় পণ্য রফতানিতে সহায়তা করবে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকার পঞ্চগড় থেকে মোংলা পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ উন্নয়ন, সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং খান জাহান আলী বিমানবন্দর চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ, পলি ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত ড্রেজিং, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব বন্দরসেবা চালুর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
বাংলাদেশের অবকাঠামো ও বাণিজ্য উন্নয়নে অব্যাহত সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
"দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন এবং দেশে ব্যাপক বিদেশি পুঁজির প্রবাহ নিশ্চিত করার স্বার্থে একটি স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোংলা বন্দর, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মনিরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ ট্রিলিয়ন ডলার (২০৩০ সালের অর্থনৈতিক লক্ষ্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!