📌 খোলাবাজারে ডলারের নতুন দর ঘোষণা করেছে মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। ক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ডলার ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা। এমসিএবি সভাপতি এম এস জামান জানান, ব্যাংকের কারসাজির দায় মানি চেঞ্জারদের ওপর চাপানো হচ্ছে।
খোলাবাজারে ডলারের নতুন দর ঘোষণা করেছে মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতি ডলার ক্রয়মূল্য ধরা হয়েছে ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা। এর আগে খোলাবাজারে ডলারের দর ১২৮ টাকায় উঠে গিয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এমসিএবি ঘোষণা করেছে খোলাবাজারে ডলারের নতুন দর: ক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা, বিক্রয়মূল্য ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা
- 📌 এর আগে খোলাবাজারে ডলারের দর ছিল ১২৮ টাকা
- 📌 এমসিএবি সভাপতি এম এস জামান জানান, ব্যাংকগুলোর কারসাজির দায় মানি চেঞ্জারদের ওপর চাপানো হচ্ছে
- 📌 মানি চেঞ্জাররা শুধুমাত্র নগদ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করে, ইলেকট্রনিক মুদ্রা নয়
📰 বিস্তারিত
মানি চেঞ্জার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি) খোলাবাজারে ডলারের নতুন দর ঘোষণা করেছে। নতুন এই দরের ফলে প্রতি ডলার ক্রয়মূল্য হবে ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য হবে ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা। এর আগে খোলাবাজারে ডলারের দর ১২৮ টাকায় উঠে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন এমসিএবি সভাপতি এম এস জামান।
আজ সোমবার এমসিএবির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দর ঘোষণা করেন এম এস জামান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দেসহ বিভিন্ন মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা। এম এস জামান বলেন, মানি চেঞ্জাররা শুধুমাত্র নগদ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন করে। তারা ইলেকট্রনিক বা ভার্চ্যুয়াল মুদ্রা লেনদেন করে না এবং সরাসরি প্রবাসী আয় আনতে পারে না। বিদেশফেরত যাত্রী ও প্রবাসী শ্রমিকদের নিয়ে আসা নগদ বৈদেশিক মুদ্রাই তাদের ব্যবসার মূল উৎস।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, করোনা-পরবর্তী সময়ে ডলারের বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে বিভিন্ন ব্যাংক বিপুল পরিমাণ মুনাফা করেছে। অথচ বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলেই দায় মানি চেঞ্জারদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয় বলে জানান তিনি। এম এস জামান বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক আন্তব্যাংক বাজারে ডলার কেনাবেচা করে এবং ব্যাংকগুলোর জন্য ডলারের দাম নির্ধারণ করে দেয়। কিন্তু মানি চেঞ্জারদের জন্য স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকে না।
"মানি চেঞ্জার খাতের পরিধি অত্যন্ত সীমিত হওয়ায় এ খাতে বাজার কারসাজির সুযোগ নেই। করোনা-পরবর্তী সময়ে ডলারের বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করে বিভিন্ন ব্যাংক বিপুল পরিমাণ মুনাফা করেছে। অথচ বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলেই দায় মানি চেঞ্জারদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম এস জামান (এমসিএবি সভাপতি), প্রকৌশলী গৌতম দে (সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ক্রয়মূল্য ১২৫ টাকা ৫০ পয়সা, বিক্রয়মূল্য ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা, পূর্ববর্তী দর ১২৮ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!