📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কারফিউ জারি ও হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এক সাক্ষীর জবানবন্দিতে এমন তথ্য উঠে এসেছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দেওয়া এক জবানবন্দিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কারফিউ জারি ও হত্যাযজ্ঞ চালানোর নির্দেশ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন ইউআইটিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. সাকিব আহম্মেদ। তিনি জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের পরামর্শে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কারফিউ জারি করা হয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কারফিউ জারির নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা, রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলাম
- 📌 ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণভবনে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তাঁরা তিনজন
- 📌 কারফিউ জারির পর ছাত্র-জনতার ওপর চালানো হয় হত্যাযজ্ঞ
- 📌 বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় নিহত হন ২৩ জন ব্যক্তি
- 📌 জুলাই অভ্যুত্থানে সারা দেশে শহীদ হন ১ হাজার ৪০০ মানুষ
📰 বিস্তারিতআন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দেওয়া জবানবন্দিতে ইউআইটিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিব আহম্মেদ জানান, তিনি টেলিভিশন ও পত্রপত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণভবনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। বৈঠকে তাঁদের পরামর্শেই কারফিউ জারি করা হয় এবং পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার ওপর হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়।
সাকিব আহম্মেদ তাঁর জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, কারফিউ জারির পর বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে মারুফসহ আরও ২৩ জন ব্যক্তি নিহত হন। পরবর্তীতে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১ হাজার ৪০০ মানুষ শহীদ হন।
এই মামলায় আসামি হিসেবে কারাগারে রয়েছেন রাশেদ খান মেনন ও কামরুল ইসলাম। আজ সোমবার তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
"টেলিভিশন ও পত্রপত্রিকার মাধ্যমে জানতে পারি, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণভবনের সভায় শেখ হাসিনা, রাশেদ খান মেনন, কামরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের পরামর্শে কারফিউ জারি করে ছাত্র-জনতার ওপর ম্যাসাকার করা হয়। নিরীহ জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করে অসংখ্য ছাত্র-জনতাকে নিহত ও আহত করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর নতুন বাজার, ইউআইটিএস বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাকিব আহম্মেদ, রাশেদ খান মেনন, কামরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ জন নিহত, ১ হাজার ৪০০ শহীদ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!