📌 টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশ্রিত খাবার খেয়ে পরিবারের সাত সদস্য অসুস্থ হওয়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও দলিলপত্র নিয়ে যায়। ঘটনার তদন্তে সংঘবদ্ধ চক্রের সন্দেহ করা হচ্ছে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল তালুকদার পাড়া গ্রামে রোববার রাতে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশ্রিত খাবার খেয়ে পরিবারের সাত সদস্য অসুস্থ হওয়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটায়। গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশ্রিত খাবার খেয়ে সাতজন অসুস্থ হন
- 📌 অসুস্থতার সুযোগে দুর্বৃত্তরা স্বর্ণালঙ্কার, নগদ ৫৭ হাজার টাকা, মোবাইল ও দলিলপত্র নিয়ে যায়
- 📌 ঘটনার সঙ্গে সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা
- 📌 ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে
📰 বিস্তারিত
গোপালপুর উপজেলার নগদাশিমলা ইউনিয়নের বাইশকাইল তালুকদার পাড়া গ্রামে রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশ্রিত খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রতিবেশীরা দুপুরে তাঁদের অচেতন অবস্থায় গোপালপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খাইরুল ইসলাম জানান, গুরুতর অসুস্থ চারজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অসুস্থদের মধ্যে আনোয়ার হোসেন, তাঁর স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন, তিন মেয়ে আরিফা বেগম, হামিদা বেগম ও অনামিকা খাতুন এবং আরিফা খাতুনের দুই শিশু সন্তান রওশান ও রায়েতা রয়েছেন।
ভুক্তভোগী আরিফা বেগম জানান, রান্নাঘরের লবণের পাত্রে কেউ নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়েছিল। সেই লবণে রান্না করা খাবার খেয়ে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। হামিদা বেগমের স্বামী স্কুলশিক্ষক শাওন চৌধুরি জানান, তাঁরা রাত দশটার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা বারান্দার গ্রিল কেটে ঘরে প্রবেশ করে। তাঁরা ওয়ার্ডরোব, আলমারি থেকে দুই ভরির স্বর্ণের গয়না, নগদ ৫৭ হাজার টাকা, একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন এবং জমির দলিলপত্র নিয়ে যায়।
গোপালপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) চন্দন বাবু জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে। পারিবারিক শত্রুতার কারণেও এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।
"একই বাড়িতে পর পর দুটি অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় মনে হচ্ছে এটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ। ভুক্তভোগী পরিবার মামলা দিলে এ চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গোপালপুর, টাঙ্গাইল
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আরিফা বেগম, শাওন চৌধুরি, মো. রুহুল আমিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ জন অসুস্থ, ৫৭ হাজার টাকা লুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!