📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ডলারের কালোবাজারি রোধে প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এমসিএবির

ডলারের কালোবাজারি রোধে প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এমসিএবির

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ডলারের কালোবাজারি বন্ধে বৈধ মানি চেঞ্জারদের দায় না চাপিয়ে প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে এমসিএবি। সংগঠনটির নেতারা বলেন, ব্যাংক ও মানি চেঞ্জারদের মধ্যে বৈষম্য দূর করে যৌথ মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে।

ঢাকা, ২৪ আগস্ট ২০২৬: ডলারের কালোবাজারির দায় বৈধ মানি চেঞ্জারদের ওপর চাপিয়ে না দিয়ে প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে মানি চেঞ্জার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এমসিএবি)। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দে বলেন, যারা ১২৮ টাকা বা তার বেশি দামে ডলার লেনদেন করছেন, তারা লাইসেন্সপ্রাপ্ত মানি চেঞ্জার নন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 এমসিএবির দাবি, ডলারের কালোবাজারি বন্ধে প্রকৃত কারসাজিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি
  • 📌 ব্যাংকগুলো যাত্রীদের নগদ ডলার দিতে না পারায় খোলা বাজার থেকে ডলার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা
  • 📌 এমসিএবির সিদ্ধান্ত: নির্ধারিত দরের বাইরে কোনো ডলার লেনদেন করা হবে না
  • 📌 বৈধ মানি চেঞ্জার ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধ ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দাবি

📰 বিস্তারিত

এমসিএবির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী গৌতম দে বলেন, দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ মানি চেঞ্জার ব্যবসায়ী সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তবে কেউ অনিয়মে জড়ালে তার দায় শুধু ব্যবসায়ীর নয়, রাষ্ট্রের নীতি ও তদারকির ঘাটতিও এর পেছনে রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, খোলা বাজারে ডলারের দর ১২২ টাকা ৪৮ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে থাকা উচিত।

গৌতম দে বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি নির্ধারিত দরের বাইরে কোনো ডলার লেনদেন করব না। গত কয়েক দিন ধরে এই দরে লেনদেনও ধরে রাখতে পেরেছি।’ তিনি দাবি করেন, যারা ১২৮ টাকা বা তার বেশি দামে ডলার লেনদেন করছেন, তারা মানি চেঞ্জারদের প্রতিষ্ঠান নয়।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকগুলো যাত্রীপ্রতি বড় অঙ্কের ডলার এনডোর্সমেন্ট সিল দিলেও অনেক ক্ষেত্রে নগদ ডলার দিতে না পারায় যাত্রীরা খোলা বাজার থেকে ডলার সংগ্রহ করতে বাধ্য হচ্ছেন। গৌতম দে জানান, ডলারের দাম যখন ৪২ টাকা ছিল, তখন এক হাজার ডলার পর্যন্ত এনডোর্সমেন্টের সুযোগ ছিল। বর্তমানে ডলারের দাম অনেক বেড়েছে, অথচ সীমা মাত্র দুই হাজার ডলারে আটকে আছে।

‘বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কারা ডলারের দাম বাড়াচ্ছে, রাষ্ট্রকে তাদের খুঁজে বের করতে হবে। বৈধ মানি চেঞ্জারদের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে হলে সরকারকে সুষ্ঠু নীতি, কার্যকর তদারকি এবং সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রকৌশলী গৌতম দে (এমসিএবির সাধারণ সম্পাদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৫ শতাংশ, ১২৮ টাকা, ১২২ টাকা ৪৮ পয়সা, ১২২ টাকা ৬০ পয়সা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖