📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ৭:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইসলামি ব্যাংকিংয়ে ধস: এক বছরে আমানত কমেছে চার হাজার কোটি টাকা

ইসলামি ব্যাংকিংয়ে ধস: এক বছরে আমানত কমেছে চার হাজার কোটি টাকা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোতে আমানত ও প্রবাসী আয় কমেছে। এক বছরে আমানত কমেছে চার হাজার ২০১ কোটি টাকা। পাঁচ ব্যাংকের একীভূতকরণ ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোর সংকট দিন দিন গভীর হচ্ছে। দেশের ১০টি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংকের আমানত এক বছরের ব্যবধানে কমেছে চার হাজার ২০১ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের জুন ২০২৬-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই ব্যাংকগুলোর আমানত আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইসলামি ধারার ১০ ব্যাংকের মধ্যে পাঁচটির একীভূতকরণের কারণে গ্রাহকদের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দিয়েছে
  • 📌 এক বছরে ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত কমেছে চার হাজার ২০১ কোটি টাকা
  • 📌 ইসলামি ব্যাংকগুলোর মোট আমানত দাঁড়িয়েছে তিন লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা
  • 📌 প্রবাসী আয় কমেছে প্রায় ২৬ শতাংশ
  • 📌 শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ব্যতিক্রম হিসেবে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে

📰 বিস্তারিত

দেশের ব্যাংকিং খাতে ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোর সংকট এখনো কাটেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাসের তুলনায় ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানত ও প্রবাসী আয় উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য পতন ঘটেছে। ইসলামি ব্যাংকিংয়ের অন্তর্ভুক্ত দশটি ব্যাংকের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক রয়েছে।

এসব ব্যাংকের মধ্যে পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া চলমান থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে আস্থাহীনতা দেখা দিয়েছে। ফলে এসব ব্যাংকের আমানতকারীরা নিজেদের টাকা উত্তোলনে অনাগ্রহী হয়ে পড়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারেন। এই সীমাবদ্ধতার কারণে গ্রাহকদের মধ্যে আমানত রেখে টাকা আটকে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এছাড়া বিগত সরকারের সময় ইসলামি ব্যাংকগুলোর নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে। এস আলম নামের ব্যবসায়ী গ্রুপের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। প্রবাসীদের মধ্যেও ইসলামি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোয় অনাগ্রহ দেখা যাচ্ছে। কারণ, রেমিট্যান্সের অর্থ উত্তোলন নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রবাসীরা, গ্রাহকেরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চার হাজার ২০১ কোটি টাকা, দুই লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖