📌 ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়ের করেছে। ব্যাংকটির অভিযোগ, জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা বৃদ্ধি করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়ের করেছে। ব্যাংকটির অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্কোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরে ওই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছে
- 📌 অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সুপ্রভ কম্কোজিট নিট লিমিটেডের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছে
- 📌 অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া, মাহবুব উল আলম এবং ব্যবসায়ী এস আলম
- 📌 রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের পরই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দুদকে অভিযোগ দায়ের করে
- 📌 ইসলামী ব্যাংক জানিয়েছে, চারটি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনাটি তদন্ত করা হয়েছে এবং তদন্তে বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়েছে
📰 বিস্তারিত
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি সদ্য পদত্যাগী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ দায়ের করেছে। ব্যাংকটির অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্কোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরে ওই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সুপ্রভ কম্কোজিট নিট লিমিটেডের অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ব্যবসায়ী এস আলম। তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া, মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ওই ঋণ অনুমোদনে ভূমিকা রাখেন এবং আর্থিকভাবে লাভবান হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতি পদ থেকে পদত্যাগের পরই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দুদকে অভিযোগ দায়ের করে। ইসলামী ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী ব্যাংকের পক্ষে দুদকে এ অভিযোগ জমা দেন। ইসলামী ব্যাংক জানিয়েছে, চারটি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনাটি তদন্ত করা হয়েছে। ওই তদন্তে ঋণ অনুমোদন ও বিতরণে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসংগতি পাওয়া গেছে।
"মো. সাহাবুদ্দিন ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালে জালিয়াতির মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরে ওই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সাহাবুদ্দিন, মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া, মাহবুব উল আলম, মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ জন, ৫০০ কোটি টাকা, ১০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!