📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নারীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব মাত্র দুই দশমিক তিন শতাংশে সীমাবদ্ধ: নির্বাচন কমিশনের উদ্বেগ

নারীর রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব মাত্র দুই দশমিক তিন শতাংশে সীমাবদ্ধ: নির্বাচন কমিশনের উদ্বেগ

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নারী ভোটারের হার প্রায় অর্ধেক হলেও সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব মাত্র দুই দশমিক তিন শতাংশ। রাজনৈতিক দল ও পরিবারের নেতিবাচক মানসিকতার কারণে নারীর অংশগ্রহণ কম বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

ঢাকা: বাংলাদেশে নারী ভোটারের হার প্রায় ৪৯ শতাংশ হলেও জনপ্রতিনিধিত্বে তাদের অংশগ্রহণ মাত্র দুই দশমিক তিন শতাংশ। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিটি স্তরে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত 'ন্যাশনাল মাল্টি স্টেকহোল্ডার কনসালটেশন অন দ্য ডেভেলপমেন্ট অব আ জেন্ডার ইক্যুয়ালিটি স্ট্র্যাটেজি ফর দ্য বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন' শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশে নারী ভোটারের হার প্রায় ৪৯ শতাংশ হলেও সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব মাত্র দুই দশমিক তিন শতাংশ
  • 📌 রাজনৈতিক দল ও পরিবারের নেতিবাচক মানসিকতার কারণে নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ কম বলে মন্তব্য নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকারের
  • 📌 রাজনীতিতে ভালো মানুষের প্রবেশ জরুরি এবং রাজনৈতিক দলের ভেতরে নারীর অধিকার ও মনোনয়ন নিশ্চিত করার আহ্বান
  • 📌 নির্বাচন কমিশন একা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করতে পারে না বলে মন্তব্য

📰 বিস্তারিত

নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, দেশে নারী ভোটারের হার প্রায় ৪৯ শতাংশ হলেও সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব মাত্র দুই দশমিক তিন শতাংশ। তিনি জানান, রাজনীতির প্রতি পরিবারের নেতিবাচক মনোভাবই এর প্রধান কারণ। তার নিজের পরিবার থেকেও কাউকে রাজনীতিতে যেতে উৎসাহিত করেন না তিনি। শুধু নারী নয়, ছেলে-মেয়েদের রাজনীতিতে যাওয়ার ক্ষেত্রেও পরিবার থেকে উৎসাহ দেওয়া হয় না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে দুটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। প্রথমত, রাজনীতি খারাপ নয় এবং ভালো মানুষের রাজনীতিতে প্রবেশ জরুরি এই বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, রাজনৈতিক দলের ভেতরে নারীর অধিকার ও মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোতে নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পেলে তাদের নেতৃত্ব আরও মজবুত হবে এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে।

নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, নির্বাচনী চক্রের প্রথম গ্রুপ হলেন সাধারণ জনগণ। ১৮ কোটি মানুষের দেশে নির্বাচনী প্রচারণায় ১৮ বছরের নিচের কিশোররাও প্রভাব সৃষ্টি করে। কিন্তু সেই কিশোর যখন বাড়িতে আসে, তার মা তাকে রাজনীতির ধারে কাছেও যেতে নিষেধ করেন। ফলে নারী হোক বা পুরুষ, পরিবার থেকেই রাজনীতিকে দূরে রাখার প্রবণতা রয়েছে।

"ইনপুট থেকেই আউটপুট আসে। নির্বাচন কমিশন একা অংশগ্রহণমূলক, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন করতে পারে না। নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও মাঠপর্যায়ে যারা কাজ করছেন, তাদের অধিকাংশই আগের নির্বাচনগুলোতেও দায়িত্ব পালন করেছেন। শুধু কমিশনাররা পরিবর্তিত হয়েছেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দুই দশমিক তিন শতাংশ (নারী প্রতিনিধিত্ব), প্রায় ৪৯ শতাংশ (নারী ভোটার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖