📅 ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বুয়েটে প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের ঘোষণা ডিপিডিসির, সরবরাহ ঘাটতিতে সংকট আরও তীব্র

বুয়েটে প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের ঘোষণা ডিপিডিসির, সরবরাহ ঘাটতিতে সংকট আরও তীব্র

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে রাজধানীর বুয়েটে প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং করা হবে বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি। জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ ঘাটতি থাকায় ক্যাম্পাসের নিজস্ব জেনারেটরও বিকল্প হিসেবে কাজ করছে না।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। রোববার (২৩ আগস্ট) বুয়েট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরিত এক দাপ্তরিক চিঠিতে এই সময়সূচি উল্লেখ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বুয়েট ক্যাম্পাসে প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে
  • 📌 সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপে লোডশেডিং করা হবে
  • 📌 দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত তৃতীয় ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন থাকবে
  • 📌 রাত ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত চতুর্থ ধাপে লোডশেডিংয়ের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে
  • 📌 রাত ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত পঞ্চম ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে
  • 📌 জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ কম থাকায় বুয়েটের নিজস্ব জেনারেটর চালু করা সম্ভব হচ্ছে না

📰 বিস্তারিত

বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে রাজধানীর স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বুয়েটে প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা লোডশেডিং করা হবে বলে জানিয়েছে ডিপিডিসি। রোববার (২৩ আগস্ট) বুয়েট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সময়সূচি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকার সময়গুলোতে দিনের বেলায় বুয়েটের নিজস্ব জেনারেটর চালু করা সম্ভব হবে না। কারণ জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ অত্যন্ত কম থাকায় বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।

জাতীয় বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরবরাহ ঘাটতির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা ৭টায় সারা দেশে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার মেগাওয়াট। তবে তার বিপরীতে সরবরাহ সম্ভব হয়েছিল মাত্র ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। ফলে এক মুহূর্তেই বিদ্যুতের ঘাটতি দাঁড়ায় ১ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট। এলএনজি ও গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

"বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে বুয়েটসহ রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লোডশেডিংয়ের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। জাতীয় গ্রিডের নির্ভরযোগ্যতা পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বুয়েট কর্তৃপক্ষ, ডিপিডিসি
  • 🔢 বিদ্যুতের ঘাটতি: ১ হাজার ৬৬৪ মেগাওয়াট
  • 🔢 লোডশেডিংয়ের সময়কাল: প্রতিদিন পাঁচ ঘণ্টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖