📌 অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, স্থিতিশীলতা ও দ্রুত প্রবৃদ্ধির জন্য তিন ধাপের কৌশল ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতিকে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর দেশের অর্থনীতিকে গভীর সঙ্কট থেকে পুনরুদ্ধার ও টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে ফিরিয়ে আনতে তিন ধাপের কৌশল তুলে ধরেছেন। সরকারের সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামোর আওতায় এই তিন ধাপ হলো পুনরুদ্ধার (রিকভারি), পুনঃস্থাপন (রেস্টোরেশন) এবং দ্রুত প্রবৃদ্ধির জন্য পুনর্গঠন (রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে তিন ধাপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীর
- 📌 প্রথম ধাপ ‘রিকভারি’-এর লক্ষ্য সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা ও হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধার
- 📌 চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আয় পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 দ্বিতীয় ধাপ ‘রেস্টোরেশন’-এ উৎপাদন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হবে
- 📌 তৃতীয় ধাপ ‘রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন’-এর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও অর্থনীতির দ্রুত সম্প্রসারণের ভিত্তি তৈরি করা হবে
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর দেশের অর্থনীতিকে গভীর সঙ্কট থেকে পুনরুদ্ধার এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে ফিরিয়ে আনতে তিন ধাপের কৌশল উপস্থাপন করেছেন। সরকারের সংস্কার ও উন্নয়নের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামোর আওতায় এই তিন ধাপ হলো পুনরুদ্ধার (রিকভারি), পুনঃস্থাপন (রেস্টোরেশন) এবং দ্রুত প্রবৃদ্ধির জন্য পুনর্গঠন (রিকনস্ট্রাকশন ফর অ্যাকসিলারেশন)।
প্রথম ধাপ ‘রিকভারি’-এর মূল লক্ষ্য হলো অর্থনীতির হারানো অবস্থান পুনরুদ্ধার এবং সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা। এ পর্যায়ে সরকারের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার দীর্ঘদিনের জমে থাকা অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবেলা করা, যার মধ্যে রয়েছে ঋণের চাপ, দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, তারল্যসঙ্কট, উৎপাদন ও কর্মসংস্থান কমে যাওয়া এবং অর্থনীতির ওপর আস্থা ফিরিয়ে আনা।
তিতুমীর জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত রাজস্ব আয় পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ২ শতাংশ। তিনি এটিকে রাজস্ব খাতে ইতিবাচক অগ্রগতির একটি ইঙ্গিত হিসেবে উল্লেখ করেন। সরকার বিদ্যমান করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে করের আওতা সম্প্রসারণ এবং কর ফাঁকি রোধে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ শতাংশ (রাজস্ব আয় বৃদ্ধি), ২ শতাংশ (পূর্ববর্তী বছরের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি), ১৮০ দিন (ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ৩০ জুন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!