📌 পদ্মা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে এক কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। ঢাকার আদালতে মামলাটি দাখিল করা হয়
ঢাকা, ২৩ আগস্ট ২০২৬: পদ্মা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আব্দুল মোতালেব পাটওয়ারীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে এক কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে। দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে আজ মামলাটি দাখিল করা হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পদ্মা ব্যাংকের সাবেক সিইও আব্দুল মোতালেব পাটওয়ারীসহ মোট ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুদক
- 📌 অভিযোগ: জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে এক ব্যক্তির নামে ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুর ও আত্মসাৎ
- 📌 আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক, ক্রেডিট ইনচার্জ, অপারেশন ম্যানেজার ও এম এইচ এন্টারপ্রাইজের মালিক
- 📌 দুদকের মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং আইনের ধারাগুলো যুক্ত রয়েছে
📰 বিস্তারিত
পদ্মা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আব্দুল মোতালেব পাটওয়ারীসহ মোট ১০ জন ব্যাংক কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এক কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ জালিয়াতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে। দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানান, জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র সৃজন করে অভিযোগকারীর নামে ঋণ মঞ্জুরপূর্বক অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, পদ্মা ব্যাংকের সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (এসভিপি) জর্জ কর্নেলিয়াস গমেজ, সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মো. রাসেল মিয়া, সাবেক ম্যানেজার অপারেশন (এফভিপি) এম আতিফ খালেদ, সাবেক ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আমেনা বেগম, সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামছুল হাসান ভূঞা, সাবেক ম্যানেজার অপারেশন মাহবুব আহমেদ এবং সাবেক ক্রেডিট ইনচার্জ মো. কাওসার হোসেনসহ পদ্মা ব্যাংকের আরও তিন কর্মকর্তা এই জালিয়াতিতে জড়িত রয়েছেন। এছাড়া এম এইচ এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. মমিনুর রহমান এবং মো. অজিত উল্লাহকেও আসামি করা হয়েছে।
দুদকের তদন্ত দলের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কমিশন অভিযোগের বিষয়ে সন্তুষ্ট হয়ে মামলাটি দায়ের করে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯, ১০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ধারার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
"জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে অভিযোগকারীর নামে ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ঋণ মঞ্জুরপূর্বক আত্মসাতের অভিযোগটি অনুসন্ধানের জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল মোতালেব পাটওয়ারী, মো. আকতারুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ জন আসামি, ১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!