📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুন শেষে বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের স্থিতি কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৫ কোটি ডলারে। এপ্রিলে এর পরিমাণ ছিল এক হাজার ৩৩ কোটি ডলার। বিনিয়োগ ও আমদানি কার্যক্রমে ধীরগতি এবং ব্যবসায়িক ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ঋণ চাহিদা কমেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের স্থিতি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। গত জুন মাস শেষে বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৫ কোটি মার্কিন ডলারে। এপ্রিলে এর পরিমাণ ছিল এক হাজার ৩৩ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ছিল এক হাজার ৪৭ কোটি ডলার। ফলে তিন মাসের ব্যবধানে বিদেশি ঋণের স্থিতি কমেছে দুই শতাধিক কোটি ডলার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে বেসরকারি খাতের বিদেশি ঋণের স্থিতি এক হাজার ২৫ কোটি ডলার
- 📌 এপ্রিলে বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল এক হাজার ৩৩ কোটি ডলার
- 📌 জানুয়ারিতে বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল এক হাজার ৪৭ কোটি ডলার
- 📌 তিন মাসে বিদেশি ঋণের স্থিতি কমেছে দুই শতাধিক কোটি ডলার
- 📌 বিনিয়োগ ও আমদানি কার্যক্রমে ধীরগতি এবং ব্যবসায়িক ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ঋণ চাহিদা কমেছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, দেশের বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণের প্রবাহে উল্লেখযোগ্য মন্দা দেখা দিয়েছে। গত জুন মাস শেষে বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের স্থিতি দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৫ কোটি ডলারে। এর আগে এপ্রিলে এই স্থিতি ছিল এক হাজার ৩৩ কোটি ডলার। জানুয়ারি মাসে বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল এক হাজার ৪৭ কোটি ডলার। ফলে তিন মাসের ব্যবধানে বিদেশি ঋণের স্থিতি দুই শতাধিক কোটি ডলার কমেছে।
ব্যবসায়ীরা সাধারণত কাঁচামাল ও মূলধনি পণ্য আমদানির জন্য সাপ্লায়ার্স ও বায়ার্স ক্রেডিটের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ গ্রহণ করে থাকেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিনিয়োগ কার্যক্রমে ধীরগতি, অভ্যন্তরীণ চাহিদা হ্রাস, রপ্তানি কার্যক্রমে মন্দা এবং ব্যবসায়িক ব্যয় বৃদ্ধির কারণে বিদেশি ঋণের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে বলে জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, রাজনৈতিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও বিদ্যুৎ-গ্যাস সরবরাহ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে প্রত্যাশিত উন্নতি না হওয়ায় ব্যবসায়িক কার্যক্রমে গতি ফেরেনি। ফলে নতুন কারখানা স্থাপন বা বিদ্যমান কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে উদ্যোক্তাদের ঋণ গ্রহণের প্রবণতাও কমেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিনিয়োগ ও শিল্প কার্যক্রমে গতি না থাকায় বিদেশি ঋণের চাহিদা বাড়ছে না। তবে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে মূলধনি যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল আমদানি বাড়বে, যার ফলে এ ধরনের ঋণের চাহিদাও বৃদ্ধি পেতে পারে।
"বিদেশি স্বল্পমেয়াদি ঋণের সুদহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। গত মে মাসে সর্বোচ্চ সীমা কমিয়ে সিকিউরড ওভারনাইট ফাইন্যান্সিং রেটের (এসওএফআর) সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ যোগ করে ঋণ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়। আগে এ হার ছিল এসওএফআরের সঙ্গে সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: এক হাজার ২৫ কোটি ডলার (জুন), এক হাজার ৩৩ কোটি ডলার (এপ্রিল), এক হাজার ৪৭ কোটি ডলার (জানুয়ারি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!