📌 মেহেরপুরে প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. কলিমুদ্দিন কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি
মেহেরপুর জেলায় প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. কলিমুদ্দিন কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। রোববার দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 প্রতিবন্ধী নারী ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য কলিমুদ্দিন কালুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা
- 📌 আদালত চত্বরে রায় ঘোষণার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি
- 📌 ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে পিরোজপুর গ্রামে
- 📌 ভুক্তভোগীর মা মামলা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ৯(১) ধারায়
- 📌 আসামির সম্পদ থেকে জরিমানা আদায় না হলে ভবিষ্যত সম্পদ থেকে আদায়ের নির্দেশ
📰 বিস্তারিত
মেহেরপুর জেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. কলিমুদ্দিন কালুকে প্রতিবন্ধী এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। রোববার দুপুরে মেহেরপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরে হঠাৎ চেতন হারান দণ্ডপ্রাপ্ত ইউপি সদস্য কলিমুদ্দিন কালু। আদালত চত্বরে বেঞ্চে শুইয়ে মাথায় পানি দেওয়া হলেও তাঁর চেতনা ফেরেনি। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য মেহেরপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত কলিমুদ্দিন কালু মেহেরপুরের পিরোজপুর গ্রামের আব্দুল মণ্ডলের ছেলে। তিনি পিরোজপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে পিরোজপুর গ্রামের এক প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণ করেন কলিমুদ্দিন কালু। পরে ওই নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। তখন পালিয়ে যাওয়ার সময় কাউকে ঘটনা না জানানোর জন্য হুমকিও দেন কালু।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় মেহেরপুর সদর থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আসামি কালুকে দোষী সাব্যস্ত করে এ সাজার আদেশ দেন। রায়ে জরিমানার পাঁচ লাখ টাকা ভুক্তভোগীর ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
"আসামির বর্তমান সম্পদ থেকে অর্থ আদায় সম্ভব না হলে ভবিষ্যৎ সম্পদ থেকে তা আদায়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বিক্রি করে অর্থ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মেহেরপুর জেলা, পিরোজপুর ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. কলিমুদ্দিন কালু (ইউপি সদস্য)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!