📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৩ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সরকারি ক্রয়ে দেশীয় অগ্রাধিকার: আইনের সুযোগ থাকলেও প্রয়োগ হচ্ছে না কেন?

সরকারি ক্রয়ে দেশীয় অগ্রাধিকার: আইনের সুযোগ থাকলেও প্রয়োগ হচ্ছে না কেন?

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সরকারি ক্রয়ে দেশীয় পণ্যের অগ্রাধিকার দেওয়ার আইনি সুযোগ থাকলেও তা প্রয়োগ না হওয়ার কারণ খুঁজে বের করেছেন একজন দরপত্র বিশেষজ্ঞ। বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ক্রয় জাতীয় বাজেটের ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে।

দেশীয় পণ্যের অগ্রাধিকার দেওয়ার আইনি বিধান থাকলেও সরকারি ক্রয়ে তা প্রয়োগ না হওয়ার কারণ উদ্ঘাটন করেছেন একজন দীর্ঘদিনের দরপত্র বিশেষজ্ঞ। প্রায় দুই দশকের অভিজ্ঞতায় তিনি দেখেছেন, সরকারি ক্রয়ে দেশীয় অগ্রাধিকার আইনের প্রয়োগ প্রায় নেই বললেই চলে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একনেকের সিদ্ধান্তে সরকারি ভবন নির্মাণে বিদেশি পণ্যের পরিবর্তে দেশীয় টাইলস ও লিফট ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হলেও বিদ্যমান বিধিমালাতেই এ ধরনের সুযোগ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকারি ক্রয়ে দেশীয় অগ্রাধিকার আইনের প্রয়োগ প্রায় অনুপস্থিত
  • 📌 প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একনেকের সিদ্ধান্তে দেশীয় টাইলস ও লিফট ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • 📌 ২০১৯–২০ অর্থবছরে সরকারি ক্রয় ছিল জাতীয় বাজেটের ৪৫ শতাংশ
  • 📌 দেশীয় পণ্যের জন্য সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান রয়েছে
  • 📌 নতুন পিপিআর ২০২৫-এ টেকসই ক্রয় ও ভ্যালু ফর মানির উপর জোর দেওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

একজন দরপত্র বিশেষজ্ঞ জানান, তিনি প্রায় দুই দশক ধরে সরকারি দরপত্রের কাজ করে আসছেন। তাঁর অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, সরকারি ক্রয়ে দেশীয় অগ্রাধিকার আইনের প্রয়োগ প্রায় অনুপস্থিত। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একনেকের সভায় সরকারি ভবন নির্মাণে বিদেশি পণ্যের পরিবর্তে দেশীয় টাইলস ও লিফট ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এ ধরনের নির্দেশনা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে কারণ বিদ্যমান বিধিমালাতেই দেশীয় পণ্যের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান রয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯–২০ অর্থবছরে সরকারি ক্রয় জাতীয় বাজেটের ৪৫ শতাংশ, জিডিপির ৮ শতাংশ এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। অর্থাৎ রাষ্ট্র প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে দরপত্রের মাধ্যমে। সরকারি ক্রয়ে দেশীয় অগ্রাধিকার দেওয়ার বিধান থাকলেও তা প্রয়োগ না হওয়ার পেছনে রয়েছে কর্মকর্তাদের অজ্ঞতা ও দায় এড়ানোর প্রবণতা।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন, ২০০৬ এবং বিধিমালায় দেশীয় অগ্রাধিকার বা ডমেস্টিক প্রেফারেন্সের বিধান রয়েছে। দেশে উৎপাদিত পণ্যের জন্য মূল্যায়নে সাধারণত সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ এবং পূর্তকাজে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত অগ্রাধিকার দেওয়া যায়। নতুন পিপিআর ২০২৫-এ টেকসই সরকারি ক্রয়ের ধারণা যুক্ত হয়েছে এবং ভ্যালু ফর মানি ও টেকসই ক্রয়কে সামনে আনা হয়েছে।

"দেশীয় অগ্রাধিকার প্রয়োগ না হওয়ার পেছনে কর্মকর্তাদের অজ্ঞতা ও দায় এড়ানোর প্রবণতা কাজ করে। দেশীয় পণ্যে দাম সামান্য বেশি পড়লে অডিট আপত্তির ভয়ে কর্মকর্তারা সর্বনিম্ন বিদেশি দরের দিকে চলে যান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ শতাংশ, ৮ শতাংশ, ৮৫ শতাংশ, ১৫ শতাংশ, ৭ দশমিক ৫ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖