📌 সৃজনশীল শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শিল্পী ও কারুশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ তৈরি করা হবে
সৃজনশীল শিল্প ও সংস্কৃতিকে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ শনিবার রাজধানীর বনানীতে অনুষ্ঠিত একটি বই মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে বলেছেন, প্রচলিত অর্থনৈতিক চিন্তাধারার বাইরে সৃজনশীল অর্থনীতিকে প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে উদ্যোগ নেওয়া হবে
- 📌 শিল্পী ও কারুশিল্পীদের জন্য আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ তৈরি করা হবে
- 📌 অ্যামাজন, ইবে ও আলিবাবা সহ আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পণ্য বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 সৃজনশীল শিল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক পরিচিতি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন বৃদ্ধি পাবে
📰 বিস্তারিত
আজ বনানীর শেরাটন হোটেলে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ও বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ক্রিয়েটিভ ফুটপ্রিন্টস’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হকও উপস্থিত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেছেন, বর্তমান সরকার শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে রাখার প্রচলিত ধারণা থেকে বেরিয়ে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, সৃজনশীল অর্থনীতিকে প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর অংশগ্রহণ প্রয়োজন। অর্থমন্ত্রী বলেন, নীতি সহায়তা ও অর্থায়নের পাশাপাশি সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে এ খাতকে এগিয়ে নেওয়া হবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, বাজেটে এই খাতে প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। দেশীয় কারুশিল্পী, চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য আর্থিক সহায়তা ও দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি পণ্যের নকশা উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রির সুযোগ তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক শিল্পী ও কারুশিল্পীদের তৈরি পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, যা তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।
"প্রচলিত অর্থনৈতিক চিন্তায় শিল্প ও সংস্কৃতিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পেছনে রাখা হয়েছে। বর্তমান সরকার এই ধারণা থেকে বেরিয়ে সৃজনশীল অর্থনীতিকে দেশের প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে চায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, বনানী, শেরাটন হোটেল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের লিটু, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: বাজেটে এই খাতে তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!