📌 কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে হোটেল-রিসোর্ট মালিক ও ব্যবসায়ীরা ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালুর দাবি জানিয়েছেন। তারা ১৫ জন পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় আইন ও অনুমোদন প্রক্রিয়ার সমস্যা তুলে ধরেছেন। জেলা প্রশাসক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন
কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে নিরাপত্তা ও সুবিধা বৃদ্ধির জন্য হোটেল-রিসোর্ট মালিক ও ব্যবসায়ীরা জোরালো দাবি জানিয়েছেন। অগ্নিকাণ্ড ও সৈকত দুর্ঘটনায় ১৫ জন পর্যটকের মৃত্যুর পর জেলা প্রশাসনের সভায় তারা ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালুর পাশাপাশি ইসিএ আইন সংশোধনের দাবি তুলে ধরেছেন। সভায় জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৫ জন পর্যটক মারা যাওয়ার পর** কক্সবাজারে হোটেল-রিসোর্ট মালিক ও ব্যবসায়ীরা **ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার** চালুর দাবি জানান
- 📌 **১৭টি সরকারি দপ্তরে দৌড়াতে হয়** অনুমোদন পেতে — ব্যবসায়ীরা এই প্রক্রিয়াকে **"প্রতিবন্ধক"** বলে অভিহিত করেন
- 📌 **৬ মাস সময় চেয়েছেন** অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম ও পরিবেশ ছাড়পত্র পেতে
- 📌 **ইসিএ আইন সংশোধন** ও **অপ্রাপ্তবয়স্কদের হোটেলে প্রবেশ নিষিদ্ধ** করার দাবি তুলে ধরেন সংসদ সদস্যরা
- 📌 **জেলা প্রশাসক** কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেন — **স্টেকহোল্ডারদের সুপারিশ** মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড ও হিমছড়ি সৈকতে দুর্ঘটনায় চার দিনের ব্যবধানে ১৫ জন পর্যটকের মৃত্যু ঘটার পর জেলা প্রশাসন করণীয় নির্ধারণে সভা আয়োজন করে। সভায় হোটেল-রিসোর্ট মালিক ও ব্যবসায়ীরা **ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার** চালুর দাবি জানান। তারা বলেন, **১৭টি সরকারি দপ্তরে দৌড়াতে হয়** একটি প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন পেতে, যা **"প্রতিবন্ধক"** হিসেবে কাজ করছে।
কক্সবাজার হোটেল-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক **মুকিম খান** বলেন, **"প্রতিবেশ সংকটাপন্ন (ইসিএ) আইন"** এবং **"১৭টি দপ্তরের অনুমোদন প্রক্রিয়া"** কক্সবাজারকে **"নিরাপদ পর্যটন এলাকা"** হিসেবে গড়ে তোলার প্রধান প্রতিবন্ধকতা। তিনি উল্লেখ করেন, **"ইসিএ আইনের কারণে সৈকতসংলগ্ন এলাকায় পরিবেশ ছাড়পত্র পাওয়া যায় না"**। এর ফলে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) অনুমোদন পাওয়া যায় না।
সভায় **কউকের সচিব সানজিদা বেগম** বলেন, **"অধিকাংশ হোটেলে অগ্নিনির্বাপণের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকবল না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটছে"**。 তিনি হোটেল-রিসোর্ট মালিকদের **"কউকের আইন ও নীতিমালা মেনে চলতে"** আহ্বান জানান।
**কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল** ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালুর **"বিকল্প নেই"** বলে দাবি করেন। তিনি **"ইসিএ আইন শিথিল"** করারও দাবি তুলেন। অন্যদিকে, **সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না** **"কুমিল্লায় তাজমিন হত্যার"** প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং **"অপ্রাপ্তবয়স্ক ও জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া কক্ষ ভাড়া না দেওয়ার"** অনুরোধ করেন।
জেলা প্রশাসক **মো. আবদুল মান্নান** বলেন, **"বৈঠকে বিভিন্ন দাবি উঠেছে"**। তিনি **"ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার"** কীভাবে চালানো যায়, **"সেই জন্য একটি কমিটি গঠনের"** সিদ্ধান্ত নেন। কমিটিতে **"প্রতিটি সংস্থার প্রতিনিধি"** থাকবেন এবং **"তাদের সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো"** হবে। তিনি আরও জানান, **"অনুমোদনহীন হোটেল-রিসোর্ট"** গুলো **"ভ্রাম্যমাণ আদালত"** পরিচালনা করে **"ব্যবস্থা নেওয়া"** হবে।
"অধিকাংশ হোটেলে অগ্নিনির্বাপণের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত লোকবল না থাকার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে।"
"নিরাপদ পর্যটন নগরী গড়ে তুলতে হলে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চালুর বিকল্প নেই।"
"কোনো হোটেল-রিসোর্টে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া কক্ষ ভাড়া না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার (পাবলিক লাইব্রেরি হল মিলনায়তন), হিমছড়ি সৈকত, টুপটুপ রিসোর্ট
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান, মুকিম খান (অ্যাসোসিয়েশন সেক্রেটারি), লুৎফুর রহমান কাজল (সাংসদ), শামীম আরা স্বপ্না (সাংসদ), সানজিদা বেগম (কউক সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ জন (পর্যটক মৃত্যু), ৬ মাস (সময় দাবি), ১৭টি (গভর্নমেন্ট ডিপার্টমেন্ট), ৩টি (কমিটি সদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!