📅 ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীতে সরকারি রাস্তার ১৪টি মেহগনি গাছ কাটা, প্রশাসন নীরবতা অব্যাহত

রাজশাহীতে সরকারি রাস্তার ১৪টি মেহগনি গাছ কাটা, প্রশাসন নীরবতা অব্যাহত

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সরকারি রাস্তার পাশে ১৪টি বড় মেহগনি গাছ কাটা হয়েছে। দু’দফায় গাছ কাটার ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্থানীয়রা বলছেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে গাছগুলো কাটা হয়েছে

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সরকারি রাস্তার পাশে ১৪টি বড় মেহগনি গাছ কাটা হয়েছে। গত দেড় মাসে দু’দফায় এই অপরাধ ঘটেছে, কিন্তু প্রশাসন ও বন বিভাগের কোনো আইনগত পদক্ষেপ নেই। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ম্যানেজ করে গাছগুলো কাটা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সরকারি রাস্তার পাশে ১৪টি মেহগনি গাছ কাটা হয়েছে, যার বাজারমূল্য সাত লাখ টাকা
  • 📌 গত ১০ সেপ্টেম্বর জিউপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ১০টি গাছ কাটা হয়, অভিযুক্ত কাঠ ব্যবসায়ী মতিউর রহমান
  • 📌 গত বুধবার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে আরও চারটি গাছ কাটা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষক আবু বাক্কার
  • 📌 অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, প্রশাসন নীরবতা অব্যাহত
  • 📌 বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, গাছ কাটার ঘটনায় কোনো অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন

📰 বিস্তারিত

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় সরকারি রাস্তার পাশে মেহগনি গাছ কাটার ঘটনা দু’দফায় ঘটেছে। গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুরে জিউপাড়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বারুর মোড় এলাকায় সরকারি পাকা রাস্তার পাশের ১০টি মেহগনি গাছ কাটা হয়। স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। গাছগুলোর বয়স ২০ থেকে ২৫ বছর এবং প্রতিটির আনুমানিক মূল্য ৫০ হাজার টাকা। স্থানীয়রা বলছেন, মতিউর এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় গাছ কাটার ঘটনায় কেউ প্রতিবাদ করতে পারেননি।

অপরদিকে, গত বুধবার একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপাপাড়া বাজারের পাশে রাস্তার ধারে আরও চারটি বড় মেহগনি গাছ কাটা হয়। এই ঘটনায় শিক্ষক আবু বাক্কারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য দুই লাখ টাকা। তবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শিক্ষক আবু বাক্কারের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে, তিনি বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেছেন।

বন বিভাগের কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেছেন, তিনি অসুস্থ এবং অফিস ছুটি নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, গাছ কাটার দুটি স্থানেই সহকারী ফয়েজ আলীকে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু তিনি কোনো হালনাগাদ তথ্য জানাননি। তিনি আরও বলেছেন, অনৈতিক সুবিধা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিয়াকত সালমান বলেছেন, গাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছে। তিনি বলেন, সর্বশেষ গাছ কাটা স্থানটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, যদি সরকারি জায়গার গাছ কাটা হয়, তাহলে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।

"সরকারি রাস্তার না, আমার জমির গাছ কেটেছি। গাছগুলো আমিই লাগিয়েছিলাম। স্থানীয় ভূমি অফিস এবং বন বিভাগের লোকজন এসে দেখে গেছেন। কেউ কিছু বলেননি। আর কাউকে টাকা-পয়সা দেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন।" — মতিউর রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী, পুঠিয়া উপজেলা, জিউপাড়া ইউনিয়ন
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মতিউর রহমান (কাঠ ব্যবসায়ী), আবু বাক্কার (শিক্ষক), শফিকুল ইসলাম (বন কর্মকর্তা), লিয়াকত সালমান (ইউএনও)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪টি গাছ, ১০টি গাছ (১০ সেপ্টেম্বর), ৪টি গাছ (গত বুধবার), ৫০ হাজার টাকা (প্রতি গাছের মূল্য), ২০-২৫ বছর (গাছের বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖