📌 সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া আচার ভিডিও থেকে শুরু করে জেন-জি প্রজন্মের পছন্দের ব্র্যান্ড গুড গার্ল স্ন্যাকসের সফলতা। দু’বন্ধু লিয়া মার্কাস ও ইয়াসামান বখতিয়ারের স্বপ্ন ও সাহসের গল্প বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পেয়েছে
সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ভিডিও ভাইরাল হয়ে গেলে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পায় দু’বন্ধুর স্বপ্নের ব্র্যান্ড ‘গুড গার্ল স্ন্যাকস’। জেন-জি প্রজন্মের পছন্দের এই আচার ব্র্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা লিয়া মার্কাস ও ইয়াসামান বখতিয়ারের গল্প আজ বিশ্বব্যাপী সফলতার কাহিনীতে পরিণত হয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠচক্র শেষ করে নিজেদের স্বপ্নের ব্যবসায় ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং বাজারে নতুন সম্ভাবনার আলো দেখতে পান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **জেন-জি প্রজন্মের পছন্দের ব্র্যান্ড**: লিয়া মার্কাস ও ইয়াসামান বখতিয়ারের প্রতিষ্ঠিত ‘গুড গার্ল স্ন্যাকস’ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
- 📌 **সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু**: #পিকল হ্যাশট্যাগের ভিডিও ভাইরাল হয়ে ব্র্যান্ডের নাম বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- 📌 **মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্য ও আধুনিকতা**: মিসরীয়, তিউনিসীয় ও পার্সিয়ান ঐতিহ্যের মিশ্রণে তৈরি হলুদ ও সরিষা মসলায় ভরপুর আচার।
- 📌 **সফল ব্র্যান্ডিং কৌশল**: সততা ও অরগানিক কনটেন্টের মাধ্যমে শুধু ১ ডলারও বিজ্ঞাপনে খরচ না করে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ব্র্যান্ড।
- 📌 **বিপদে রসিকতা**: শিপিং ভুল ও ঝড়ের কারণে নষ্ট হওয়া পণ্য নিয়ে ‘কুকাম্বার গেট’ সিরিজ ভাইরাল হয়।
- 📌 **গ্লোবাল ব্র্যান্ড**: যুক্তরাষ্ট্রের ইরেওন ও হোল ফুডসের মতো সুপারমার্কেটে পণ্য বিক্রি হচ্ছে। সুইজারল্যান্ডে ২ হাজার আউটলেটে পৌঁছেছে ব্র্যান্ড।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠচক্র শেষ করে লিয়া মার্কাস ও ইয়াসামান বখতিয়ার করপোরেট জীবনের একঘেয়েমি থেকে বেরিয়ে আসেন। তারা দেখেন, বাজারে পাওয়া আচারগুলো সেকেলে এবং জেন-জি প্রজন্মের স্বাস্থ্যসচেতনতা পূরণ করতে পারছে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় আচারের ট্রেন্ডের কথা মাথায় রেখে তারা ২০২৩ সালে ‘গুড গার্ল স্ন্যাকস’ ব্র্যান্ড শুরু করেন। ৯ মাসের নিরলস প্রস্তুতির পর তারা চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় ঝাঁপিয়ে পড়েন।
লিয়া ও ইয়াসামান মধ্যপ্রাচ্যের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও পারিবারিক রুচিকে ব্র্যান্ডে অন্তর্ভুক্ত করেন। তারা হলুদ ও সরিষা মসলা ব্যবহার করে ‘হট গার্ল পিকলস’ নামে প্রথম আইকনিক পণ্য তৈরি করেন। তাদের ব্র্যান্ডিং কৌশল ছিল সততা ও অপারেশনসের পেছনের গল্প তুলে ধরার। ২০২৩ সালের ১ অক্টোবর থেকে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের ভুলভ্রান্তি ও উদ্যোক্তা জীবনের আসল রূপ শেয়ার করতে শুরু করেন।
বিপদে রসিকতা করে তারা ‘কুকাম্বার গেট’ সিরিজ তৈরি করেন। শিপিং ভুলের কারণে ৩ হাজার পাউন্ড শসা ঠান্ডায় জমে গিয়ে নষ্ট হওয়ার ঘটনাটি এবং মেক্সিকোর ঝড়ের কারণে নষ্ট হওয়া ফসলের গল্প ভাইরাল হয়। জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার অ্যালিক্স আর্লের ভিডিও পোস্টের ফলে এক রাতেই শত শত অর্ডার আসতে শুরু করে।
"আমরা শুধু সততা ও অরগানিক কনটেন্টের জোর দিয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছি। কোনো পেইড বিজ্ঞাপনে খরচ করা হয়নি।"
ব্র্যান্ডের সফলতা তাদের কোল্ড ই-মেইল ও লিংকডইনের মাধ্যমে ফুড ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ পরামর্শকদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যমে আসে। তারা ক্রেতাদের মতামত শুনে বড় আচারের বদলে মুচমুচে ছোট আকারের শসা ব্যবহার শুরু করেন। এর ফলে ২০২৪ সালের শুরুতে ব্যবসা শুরুর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে তাদের পণ্য প্রথমবার সেল-আউট হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুইজারল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লিয়া মার্কাস, ইয়াসামান বখতিয়ার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ মাস (প্রস্তুতি), ৩ হাজার পাউন্ড (নষ্ট পণ্য), ২ হাজার আউটলেট (সুইজারল্যান্ড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!