📌 চলতি বছরের প্রথমার্ধে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে ১০০ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সুইস রে।
চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠান সুইস রে তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ ক্ষতি প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম। তবে দুর্যোগের ঝুঁকি এখনো কমেনি বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার
- 📌 গত বছরের একই সময়ে ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ২০০ কোটি ডলার
- 📌 সুইস রের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথমার্ধের ক্ষতি গত ১০ বছরের গড়ের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কম
- 📌 বছরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সুইস রে
- 📌 ইউরোপে দাবানলের কারণে হাজার হাজার বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে
📰 বিস্তারিত
পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠান সুইস রে তাদের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশ্ব অর্থনীতির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম। প্রতিষ্ঠানটির হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশ্বজুড়ে মোট অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় শত বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে ক্ষতির পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ২০০ কোটি ডলার।
সুইস রের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের প্রথমার্ধের ক্ষতি গত ১০ বছরের একই সময়ের গড়ের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কম। যুক্তরাষ্ট্রে শক্তিশালী ঝড় ও জুনে ভেনিজুয়েলায় প্রাণঘাতী ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগ ঘটলেও সামগ্রিক ক্ষতির পরিমাণ গত বছরের তুলনায় অনেক কম ছিল।
তবে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সুইস রে। সাধারণত বছরের শেষ ছয় মাসে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড় এক্ষেত্রে বড় ঝুঁকি তৈরি করে।
সুইস রের ক্যাটাস্ট্রফি পারিলস বিভাগের পরিচালক বালজ গ্রোলিমুন্ড বলেন, ‘বছরের প্রথমার্ধে ক্ষতি কম হয়েছে বলে ঝুঁকি চলে গেছে, এমনটা ভাবার কারণ নেই। একটি বড় ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প বা দাবানল খুব দ্রুত পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউরোপে এরই মধ্যে আবহাওয়ার পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হচ্ছে। জুন থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তীব্র গরম পড়েছে। এর প্রভাবে ফ্রান্স ও স্পেনে স্বাভাবিক সময়ের আগেই দাবানলের মৌসুম শুরু হয়েছে। এসব দাবানলে হাজার হাজার বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে অবকাঠামোরও ক্ষতি হয়েছে।
‘বছরের প্রথমার্ধে ক্ষতি কম হয়েছে বলে ঝুঁকি চলে গেছে, এমনটা ভাবার কারণ নেই। একটি বড় ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্প বা দাবানল খুব দ্রুত পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে।’ — বালজ গ্রোলিমুন্ড, পরিচালক, ক্যাটাস্ট্রফি পারিলস বিভাগ, সুইস রে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিশ্ব অর্থনীতি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বালজ গ্রোলিমুন্ড
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ বিলিয়ন ডলার, ১৫ হাজার ২০০ কোটি ডলার, ১০ শতাংশ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!