📌 সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজি জাহাজ থেকে গ্যাস খালাসে ব্যর্থতার ফলে দেশে গ্যাস সরবরাহ আবার কমতে শুরু করেছে। আগামীকাল থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
দেশে চলমান গ্যাস সংকট আরও ঘনীভূত হতে পারে। সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজি জাহাজ থেকে গ্যাস খালাস করতে না পারায় গতকাল সোমবার থেকে সরবরাহ কমতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) এক কর্মকর্তা জানান, সমুদ্রপথে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আমদানি করা এলএনজি জাহাজ থেকে টার্মিনালে খালাস করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে দেশে গ্যাস সরবরাহ কমেছে ২৫ কোটি ঘনফুট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজি জাহাজ থেকে গ্যাস খালাসে ব্যর্থতার ফলে সরবরাহ কমেছে ২৫ কোটি ঘনফুট
- 📌 মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনাল দুটির মধ্যে এক্সিলারেট এনার্জির ক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট ও সামিটের ক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট
- 📌 গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনায় এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সরবরাহ সংকট দেখা দেয়
- 📌 সামিটের টার্মিনাল থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
চলমান গ্যাস সংকটের মধ্যেই নতুন করে সরবরাহ কমার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সাময়িকভাবে সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সোমবার থেকে আবার তা কমতে শুরু করে। পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা জানান, সমুদ্রে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এলএনজি জাহাজ থেকে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে দেশে গ্যাস সরবরাহ কমেছে ২৫ কোটি ঘনফুট।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, এলএনজির জাহাজ মহেশখালীর টার্মিনালের কাছেই অবস্থান করছে। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে তা টার্মিনালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, গ্যাস সরবরাহ দ্রুত বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ করছে জ্বালানি বিভাগ।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। এর মধ্যে মার্কিন প্রতিষ্ঠান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের ক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট এবং সামিটের টার্মিনালের ক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট। গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনায় এক্সিলারেটের টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে গ্যাস সরবরাহ কমে যায় এবং সংকট তীব্র হয়।
"এলএনজির কার্গো পাশেই আছে। বৈরী আবহাওয়ার জন্য টার্মিনালে নেওয়া যায়নি। গ্যাসের সরবরাহ দ্রুত বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে কাজ করছে জ্বালানি বিভাগ।"
পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, এক্সিলারেটের টার্মিনালে দুটি বয়লার রয়েছে। প্রতিটি বয়লারের ক্ষমতা ৩০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে একটি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় অক্ষত বয়লারটি থেকে বৃহস্পতিবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি চালু করতে কাজ চলছে। তবে এটি চালু করার আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বর্তমান বয়লারটি অন্তত ১২ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে হবে। এর ফলে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মহেশখালী, কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সরবরাহ কমেছে ২৫ কোটি ঘনফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!