📌 গ্যাস সংকটে নরসিংদীর শতাধিক কারখানার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ। দৈনিক ক্ষতি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা। স্থানীয় শিল্পমালিকরা জানিয়েছেন, গ্যাসের চাপ শূন্যের কাছাকাছি নেমে যাওয়ায় কারখানাগুলো বন্ধ রাখতে হয়েছে
গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদী জেলার শতাধিক শিল্পকারখানার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। কারখানাগুলোর শ্রমিকরা কাজ হারিয়ে বেকার সময় পার করছেন। একই সঙ্গে শহরের বাসাবাড়িতেও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নরসিংদীর শতাধিক কারখানায় গ্যাস সংকটে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ
- 📌 দৈনিক ক্ষতি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা
- 📌 গ্যাসের চাপ শূন্যের কাছাকাছি নেমে যাওয়ায় কারখানাগুলো বন্ধ রাখতে হয়েছে
- 📌 স্থানীয় টেক্সটাইল মিলগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৭০ শতাংশ
- 📌 ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে সংকট তীব্র হয়েছে
📰 বিস্তারিত
তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদী জেলার শতাধিক ছোট-বড় শিল্পকারখানার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এর ফলে স্থানীয় অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। কারখানাগুলোর শ্রমিকরা কাজ হারিয়ে বেকার সময় পার করছেন। একই সঙ্গে শহরের বাসাবাড়িতেও গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় চুলা জ্বালানো সম্ভব হচ্ছে না। সিএনজি পাম্পেও দীর্ঘ লাইন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় শিল্পমালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গ্যাস সংকট শুরু হওয়ার আগে থেকেই নরসিংদীতে গ্যাসের চাপ কম ছিল। এক সপ্তাহ ধরে গ্যাসের চাপ সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। কখনো কখনো তা শূন্যের কাছাকাছি নেমে আসে। ফলে শতাধিক কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হয়েছে।
নরসিংদী জেলা টেক্সটাইল, ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, দেশের স্থানীয় কাপড়ের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ জোগান দেয় নরসিংদী। গ্যাস সংকটের কারণে অনেক মিল-কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে শ্রমিকদের বেতন বা গ্যাস বিল দেওয়া সম্ভব হবে না শিল্পমালিকদের পক্ষে।
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি রাশিদুল হাসান জানান, ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় শিল্পকারখানাগুলোতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে। এই সার কারখানাটি ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় চলছিল, এখন পূর্ণশক্তিতে উৎপাদনে যাওয়ায় কলকারখানাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে।
‘সরকারের জানানো উচিত, এই সংকট কবে নাগাদ নিরসন হবে এবং ওই সময় পর্যন্ত আমাদের কী করা উচিত।’ — আনিসুর রহমান ভূঁইয়া, পরিচালক, ভূঁইয়া টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্যালেন্ডার মিলস লিমিটেড
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নরসিংদী জেলা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া (সভাপতি, নরসিংদী টেক্সটাইল অ্যাসোসিয়েশন)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রাশিদুল হাসান (সভাপতি, নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: আনিসুর রহমান ভূঁইয়া (পরিচালক, ভূঁইয়া টেক্সটাইল মিলস)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ (স্থানীয় কাপড়ের চাহিদা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ শতাংশ (ইউরিয়া সার কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা (দৈনিক ক্ষতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!