📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাছের আঁশ থেকে আয় বৃদ্ধির নতুন পথ খুলেছে রংপুরের শ্রমিকদের

মাছের আঁশ থেকে আয় বৃদ্ধির নতুন পথ খুলেছে রংপুরের শ্রমিকদের

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মাছ কাটার পর ফেলে দেওয়া আঁশকে সংগ্রহ ও বিক্রি করে আয় বাড়াচ্ছেন রংপুরের মিঠাপুকুরের শ্রমিকেরা। প্রতি কেজি আঁশ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন

রংপুরের মিঠাপুকুরের মাছকাটা শ্রমিকেরা এখন মাছের আঁশকে বর্জ্য নয়, আয় বৃদ্ধির উপায় হিসেবে ব্যবহার করছেন। একসময় নর্দমা বা আবর্জনার স্তূপে ফেলে দেওয়া হতো এই আঁশ। এখন তা সংগ্রহ করে পরিষ্কার ও শুকিয়ে বিক্রি করছেন তাঁরা। প্রতি কেজি আঁশ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা দরে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাছ কাটার পর ফেলে দেওয়া আঁশ সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন শ্রমিকেরা
  • 📌 প্রতি কেজি আঁশ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা দরে
  • 📌 স্থানীয় শ্রমিক ছামছুল ইসলাম প্রথমে এই উদ্যোগ শুরু করেন
  • 📌 সমকাল সমাজ উন্নয়ন সংস্থা প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে
  • 📌 প্রতি টনের দাম প্রায় ৮৫ হাজার টাকা

📰 বিস্তারিত

মিঠাপুকুরের শঠিবাড়ি এলাকার মাছকাটা শ্রমিক ছামছুল ইসলাম জানান, তিনি মাছ কাটার পর ফেলে দেওয়া আঁশ সংগ্রহ করে পানি দিয়ে পরিষ্কার করেন। পরে রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করেন। এক দিনের রোদেই শুকিয়ে যায় মাছের আঁশ। মাসজুড়ে জমিয়ে তা বিক্রি করা হয়। তিনি বলেন, আগে এই আঁশ ফেলে দেওয়া হতো। এখন তা সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন। ফলে মাছ কাটার কাজের পাশাপাশি বাড়তি আয় হচ্ছে।

স্থানীয় শ্রমিকেরা জানান, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকারেরা এসে মাছের আঁশ কিনে নিয়ে যান। মাছের আঁশের রয়েছে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। প্রক্রিয়াজাতের পর এটি বিভিন্ন শিল্পপণ্য, খাদ্য ও প্রসাধনীসামগ্রী তৈরিতে ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। ফলে মাছের আঁশকে বর্জ্য হিসেবে না দেখে উপজাত পণ্য হিসেবে কাজে লাগানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে স্থানীয় শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে বেসরকারি সংস্থা সমকাল সমাজ উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলছেন, সঠিকভাবে সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বাজারজাত করতে পারলে মাছের আঁশ থেকে আরও বড় পরিসরে আয় করা সম্ভব।

"মাছের আঁশ সঠিকভাবে সংগ্রহ ও বাজারজাত করা গেলে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। মাছের আঁশ ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মিঠাপুকুর, রংপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ছামছুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি কেজি ৮০-৮৫ টাকা, প্রতি টন ৮৫ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖