📅 ২১ আগস্ট ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীর কৃষকদের সারের জন্য হাহাকার: সরকারি দামের চেয়ে ৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে

রাজশাহীর কৃষকদের সারের জন্য হাহাকার: সরকারি দামের চেয়ে ৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আমন মৌসুমে রাজশাহীতে সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। অনেকেই চাহিদামতো সার না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন। জেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ইউরিয়া, ডিএপি ও টিএসপির সরকারি বরাদ্দের বিপরীতে সরবরাহ কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ

আমন মৌসুমে রাজশাহী জেলায় সারের তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় কৃষকেরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। সরকারি দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দিয়ে সার কিনতে হচ্ছে স্থানীয় কৃষকদের। অনেকেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও চাহিদামতো সার না পেয়ে খালি হাতে ফিরছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহীর গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার নজরুল ইসলামের দোকানে সকাল থেকে কৃষকদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে
  • 📌 দেওপাড়া গ্রামের কৃষক আল্লাম দুই ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর মাত্র ২০ কেজি ইউরিয়া সার পান
  • 📌 কাজীহাটা গ্রামের কৃষক বাবলু নিজ এলাকার ডিলারের কাছে সার না পেয়ে ইউরিয়া কিনতে দেওপাড়ায় আসেন
  • 📌 গোদাগাড়ীর কদমশহর গ্রামের কৃষক রাশিদুল ইসলাম তাঁর এলাকার বিএডিসি ডিলার রেজাউল করিমের কাছে সার না পেয়ে অন্য এলাকায় যান
  • 📌 রাজশাহী জেলায় ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি ও এমওপির সরকারি বরাদ্দের বিপরীতে সরবরাহ কমেছে প্রায় ২০ শতাংশ
  • 📌 রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কিছুটা কম পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকায় আমন মৌসুমে সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। স্থানীয় ডিলারদের দোকানে সার না পেয়ে কৃষকেরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। অনেকেই দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পরও চাহিদামতো সার পাচ্ছেন না। গোদাগাড়ীর দেওপাড়া ইউনিয়নের বিসিআইসি ডিলার নজরুল ইসলামের দোকানে সকাল থেকে কৃষকদের ভিড় দেখা গেছে। কেউ এক ঘণ্টা, কেউ দুই ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছিলেন।

দেওপাড়া গ্রামের কৃষক আল্লাম জানান, তিনি দুই ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর মাত্র ২০ কেজি ইউরিয়া সার পান। কাজীহাটা গ্রামের কৃষক বাবলু নিজ এলাকার ডিলারের কাছে সার না পেয়ে ইউরিয়া কিনতে দেওপাড়ায় আসেন। কিন্তু তাঁকে মাত্র ২০ কেজি সার দেওয়ার কথা বলা হলে তিনি সার না নিয়েই বাড়ি ফিরে যান।

গোদাগাড়ীর কদমশহর গ্রামের কৃষক রাশিদুল ইসলাম তাঁর এলাকার বিএডিসি ডিলার রেজাউল করিমের কাছে সার না পেয়ে অন্য এলাকায় যান। তাঁর ক্ষোভ, ‘শুধু ইউরিয়া দিলে ধানের থোড়ই তো হবে না।’ একই এলাকার কৃষক আকবর আলী দুই বস্তা ইউরিয়া পেলেও এক বস্তা ডিএপি পাননি। তিনি বলেন, ‘নিজের টাকা দিয়ে সার কিনতে এসেও সার পাওয়া যাচ্ছে না।’

চারঘাটের ভায়ালক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের আকাশ এন্টারপ্রাইজে টিএসপি কিনতে কৃষকদের ভিড় দেখা গেছে। বাঁকড়া গ্রামের কৃষক শফিকুল ইসলাম এক বস্তার পরিবর্তে পেয়েছেন ২৫ কেজি। ফরিদপুর গ্রামের কৃষক সাইফুল ইসলাম দুই বিঘা কলা ও দুই বিঘা আমন ধানের জন্য দুই বস্তা টিএসপি চাইলেও তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল মাত্র ১৫ কেজি।

আকাশ এন্টারপ্রাইজের এক কর্মচারী জানান, তাঁরা মোট ১০ মেট্রিক টন টিএসপি পেয়েছিলেন। অবশিষ্ট ছিল ২৯ বস্তা। সবাইকে চাহিদামতো দিলে অনেক কৃষকই খালি হাতে ফিরবেন, তাই অল্প অল্প করে সার দেওয়া হচ্ছে।

"চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কিছুটা কম পাওয়া যায়। পুকুরে ব্যবহৃত সারের চাহিদাও আলাদা করে বরাদ্দের মধ্যে নেই। বেশি দামে সার বিক্রি বা অবৈধ মজুদের অভিযোগ পাওয়া গেলে অভিযান চালানো হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষকেরা, নজরুল ইসলাম, আল্লাম, বাবলু, রাশিদুল ইসলাম, আকবর আলী, শফিকুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা (সারের বেশি দাম), ২০ কেজি (ইউরিয়া), ২৫ কেজি (টিএসপি), ১৫ কেজি (টিএসপি), ১০ মেট্রিক টন (টিএসপি সরবরাহ), ২৯ বস্তা (টিএসপি অবশিষ্ট)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖