📅 ৬ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মুক্তা পানির উৎপাদন কমে যাচ্ছে, চাহিদা পূরণে ব্যর্থতা সৃষ্টি করছে সরকারি উদ্যোগ

মুক্তা পানির উৎপাদন কমে যাচ্ছে, চাহিদা পূরণে ব্যর্থতা সৃষ্টি করছে সরকারি উদ্যোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত মৈত্রী শিল্পের মুক্তা পানির উৎপাদন গত দুই বছরে ৫২ শতাংশ কমেছে। চাহিদা থাকা সত্ত্বেও উৎপাদন সক্ষমতা সীমিত এবং সরকারি দপ্তর থেকে বোতলজাত পানির ব্যবহার কমে যাওয়ায় সরবরাহে ব্যর্থতা দেখা দিচ্ছে

গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন মৈত্রী শিল্পের মুক্তা পানির উৎপাদন গত দুই বছরে প্রায় ৫২ শতাংশ কমে যাওয়ায় চাহিদা পূরণে ব্যর্থতা সৃষ্টি হয়েছে। উৎপাদন কমে যাওয়ার ফলে বাজারে নিয়মিত সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না, যা ক্রেতাদের কাছে পানির উপস্থিতিকে সীমিত করে রেখেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত দুই বছরে মুক্তা পানির উৎপাদন কমেছে ২৫ লাখ ৯৪ হাজার ২৪৩ লিটার — ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫০ লাখ ৩ হাজার ৭৪৩ লিটার থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৪ লাখ ৯ হাজার ৫০০ লিটার পর্যন্ত
  • 📌 উৎপাদন সক্ষমতা মাত্র ৫০ হাজার লিটার দৈনিক, কিন্তু চাহিদা প্রায় দুই লাখ লিটার — ফলে সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে
  • 📌 মৈত্রী শিল্পে কর্মরত ৮০ শতাংশ ব্যক্তি প্রতিবন্ধী, যারা পানি উৎপাদন থেকে শুরু করে বাজারজাতকরণের কাজে নিয়োজিত
  • 📌 সরকারি দপ্তর থেকে বোতলজাত পানির ব্যবহার কমে যাওয়ায় মুক্তা পানির বিক্রিতে প্রভাব পড়েছে
  • 📌 উৎপাদন কমে যাওয়ায় আয়ও হ্রাস পেয়েছে — ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১১ কোটি টাকার আয় থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৯ কোটি টাকায় নেমে এসেছে

📰 বিস্তারিত

মৈত্রী শিল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩–২৪ অর্থবছরে মুক্তা পানি উৎপাদন ছিল ৫০ লাখ ৩ হাজার ৭৪৩ লিটার, যা পরের অর্থবছরে কমে দাঁড়ায় ২৫ লাখ ১ হাজার ৮৬৩ লিটার। সর্বশেষ ২০২৫–২৬ অর্থবছরে উৎপাদন আরও কমে ২৪ লাখ ৯ হাজার ৫০০ লিটার। অর্থাৎ দুই বছরের মধ্যে উৎপাদন কমেছে প্রায় ৫২ শতাংশ। তবে আগের তিন অর্থবছরে উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বেড়েছিল — ২০২১–২২ অর্থবছরে ৪২ লাখ ১০ হাজার লিটার এবং ২০২২–২৩ অর্থবছরে ৪৫ লাখ ৮ হাজার লিটার পানি উৎপাদিত হয়েছিল।

মৈত্রী শিল্পের কর্মকর্তারা জানান, মুক্তা পানির দৈনিক চাহিদা প্রায় দুই লাখ লিটার, কিন্তু কারখানার দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা মাত্র ৫০ হাজার লিটার। ফলে চাহিদার মাত্র এক চতুর্থাংশ পানি উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। উৎপাদন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণে দেশের সব এলাকায় নিয়মিত পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

মৈত্রী শিল্পে মুক্তা পানির পাশাপাশি বিভিন্ন প্লাস্টিক পণ্য উৎপাদিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের ভাষ্য, এখানে কর্মরত ব্যক্তিদের প্রায় ৮০ শতাংশই প্রতিবন্ধী। তাঁদের দিয়েই মুক্তা পানির বোতল তৈরি থেকে শুরু করে উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের কাজ করা হয়।

বাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও সরবরাহের ঘাটতির কারণে ক্রেতাদের কাছে মুক্তা পানির উপস্থিতি সীমিত। টঙ্গী বাজার রোডের ব্যবসায়ী আবু হানিফ বলেন, ‘মুক্তা পানির স্বাদ অন্য পানির থেকে আলাদা এবং বেশ সুস্বাদু। আমি এবং আমার দোকানের কাস্টমারদের কাছে মুক্তা পানিই বেশি পছন্দের।’

"মুক্তা পানির গুণগত মান নিয়ে আমাদের কোনো আপস নেই। কারখানায় ১১টি ধাপে রিভার্স অসমোসিস পদ্ধতিতে পানি পরিশোধন করা হয়। প্রতিটি ব্যাচের পানি পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়।"

উৎপাদনের পাশাপাশি আয়ও কমছে। মৈত্রী শিল্পের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে মুক্তা পানি থেকে আয় ছিল ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়ায় ১১ কোটি টাকা। কিন্তু উৎপাদন কমে যাওয়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আয় কমে ৯ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই অর্থবছরে উৎপাদন কমে যাওয়ার পেছনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সরকারি দপ্তরে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বোতলজাত পানি ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার সিদ্ধান্তের প্রভাব রয়েছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: টঙ্গী, গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবু হানিফ (টঙ্গী বাজার রোডের ব্যবসায়ী), মৈত্রী শিল্পের কর্মকর্তা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন ২৪ লাখ ৯ হাজার ৫০০ লিটার, আয় ৯ কোটি টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖