📌 চুয়েটে সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে ১৫ দিন ধরে চলমান অচলাবস্থা। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী একাতরে আন্দোলন করছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি পূরণের আহ্বান জানিয়েছেন তারা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৫ দিন ধরে অচলাবস্থায় রয়েছে। সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। আন্দোলনে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও একাতরে যুক্ত হয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এই অচলাবস্থায় অন্তত ছয়টি বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে এবং নতুন পরীক্ষার সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চুয়েটে ১৫ দিন ধরে অচলাবস্থা চলছে, শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত
- 📌 শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৯৯ শতাংশই সাবেক উপাচার্য ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করছেন
- 📌 শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীও আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন
- 📌 শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দাবি পূরণের আহ্বান জানিয়েছেন
- 📌 ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনে এ পর্যন্ত ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে
- 📌 ২১ সেপ্টেম্বর ড. শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
চুয়েটের শিক্ষার্থীরা ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করে দিয়েছেন। এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন। এ পর্যন্ত লাল কার্ড প্রদর্শন, মশাল মিছিল, মুখোশ মিছিল, চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ এবং মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন তারা। ৫ অক্টোবর শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও উপাচার্য ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে সংহতি জানান।
১৫ দিনের এই অচলাবস্থায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখতে চাই না, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে যে দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি, সেটির গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।’
আজ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের অভিভাবক। একজন অভিভাবক হিসেবে আপনি যেমন আপনার সন্তানের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন, তেমনি দেশের হাজারো শিক্ষার্থীকেও আপনার সন্তানের মতো বিবেচনা করবেন।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিভিন্ন মাধ্যমে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তারা দাবি করছেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের যৌক্তিক দাবি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৯৯ শতাংশই এই দাবিতে আন্দোলন করছেন।
"আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখতে চাই না। আমাদের শিক্ষাজীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে যে দাবিতে আমরা আন্দোলনে নেমেছি, সেটির গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ফিরে যাওয়ার সুযোগ নেই।"
চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেছেন, ‘আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। সমস্যা সমাধানে সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম, ড. শেখ শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ, শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ দিন, ৯৯ শতাংশ, ৫ হাজার শিক্ষার্থী, ২২ সেপ্টেম্বর, ২১ সেপ্টেম্বর, ৫ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!