📌 নেত্রকোনার মদন থানায় বাচ্চু মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি আতিকুল ইসলামকে হাওর এলাকায় কৃষক ছদ্মবেশে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে গরু খাওয়ানোর বিষয়ে সংঘর্ষে বাচ্চু মিয়া নিহত হন। পলাতক আসামির অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে আতিকুলকে আজ আদালতে পাঠানো হয়েছে
নেত্রকোনার মদন থানায় বাচ্চু মিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি আতিকুল ইসলামকে (৫০) হাওর এলাকায় কৃষক ছদ্মবেশে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গতকাল সোমবার নায়েকপুর ইউনিয়নের মাগনা গ্রামের হাওরে গোপনে লুকিয়ে থাকা আসামিকে অভিযান চালিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আজ মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন করিম এই ঘটনার নিশ্চয়তা দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাওরে লুকিয়ে থাকা হত্যাকারী আতিকুল ইসলামকে (৫০) কৃষক ছদ্মবেশে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
- 📌 গত ২৬ মার্চ বাচ্চু মিয়া হত্যা মামলায় আতিকুলের লোকজন বাচ্চু মিয়ার ওপর হামলা করে, লাঠির আঘাতে তিনি মারা যান।
- 📌 মামলায় আতিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ছয়জন আর ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা আসামি উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 পলাতক আসামি আতিকুলকে হাওরে শনাক্ত করে কৃষক ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।
- 📌 টাঙ্গাইল ট্রাইব্যুনালে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী ও শিশুকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় ২৫ বছর বয়সী মো. রাকিবুল হাসান রাকিবকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও জরিমানা দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার মদন থানায় বাচ্চু মিয়া হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আতিকুল ইসলামকে (৫০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আতিকুল ইসলাম নায়েকপুর ইউনিয়নের মাগনা উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। ঘটনাস্থলে গরু দিয়ে ধানগাছ খাওয়ানোর বিষয়ে সংঘর্ষে আতিকুলের লোকজন বাচ্চু মিয়ার ওপর হামলা চালায়। বাঁশের লাঠির আঘাতে বাচ্চু মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।
মামলায় বাচ্চু মিয়ার ছেলে আলামিন বাদী হয়ে মদন থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আতিকুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই আতিকুল ইসলাম পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁর অবস্থান বাড়ির পাশের হাওরে শনাক্ত করা হয়। পরে কৃষকের ছদ্মবেশে হাওর এলাকায় গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি সালাহউদ্দিন করিম বলেন, বাচ্চু মিয়া হত্যা মামলায় দু-তিনজন আসামি আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন, কিন্তু আতিকুল ইসলামসহ অন্যরা পলাতক ছিলেন।
অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। পৃথকভাবে, টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী ও শিশুকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টার মামলায় ২৫ বছর বয়সী মো. রাকিবুল হাসান রাকিবকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। অনাদায়ে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে।
"বাচ্চু মিয়া হত্যা মামলার দুই-তিনজন আসামি আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। আতিকুল ইসলামসহ অন্য আসামিরা পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হয়।"
— ওসি সালাহউদ্দিন করিম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা জেলা, মদন থানা, নায়েকপুর ইউনিয়ন, মাগনা গ্রামের হাওর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আতিকুল ইসলাম (৫০), ওসি সালাহউদ্দিন করিম, বাচ্চু মিয়া, মো. রাকিবুল হাসান রাকিব (২৫)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ (আতিকুলের বয়স), ২৬ (মার্চ), ১০-১২ (অজ্ঞাতনামা আসামি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!