📌 আমার বাংলাদেশ পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে সরকারের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই আইন দিয়ে সরকার সাংবাদিকদের হেনস্তা করার প্রচেষ্টা করছে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়েছে। সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে সরকারের হেনস্তা অভিযোগও উঠেছে
সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে সরকার সাংবাদিকদের হুমকির মুখে ফেলার প্রচেষ্টা করছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেছেন, সরকারের কর্তৃত্ববাদী মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসা দরকার, কারণ এই আইন দিয়ে সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়া এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নষ্ট করার প্রচেষ্টা চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাইবার আইন নিয়ে সতর্কবার্তা: আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, সরকারের কর্তৃত্ববাদী মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসা দরকার, কারণ সাইবার সুরক্ষা আইন দিয়ে সাংবাদিকদের হুমকির মুখে ফেলার প্রচেষ্টা চলছে।
- 📌 সাংবাদিকদের হুমকি: তিনি উল্লেখ করেছেন, এই আইনের মাধ্যমে যেকোনো মিডিয়া হাউস বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব এবং সরকারের কাছে জবাবদিহির সুযোগ নেই।
- 📌 সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে হেনস্তা: সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে সরকারের হেনস্তা অভিযোগ উঠেছে। তিনি বলেছেন, সরকারের কাছে তাঁকে "সাইজ" করার জন্য কোনো আইনি টুলস নেই।
- 📌 বিরোধীদলীয় নেতাদের উপস্থিতি: মতবিনিময় সভায় এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় প্রেসক্লাবে আজ মঙ্গলবার আমার বাংলাদেশ পার্টি লইয়ার্সের উদ্যোগে আয়োজিত ‘প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন: নিরাপত্তা বনাম হেনস্তা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে যেটা করা হয়েছে, তা পর্যাপ্ত আলোচনার মাধ্যমে করা হয়েছে। তাহলে সেই আইনে আবারও হাত দিলেন কেন?’ তিনি সরকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘যেটা আপনি করতে পারবেন না, সেটা করার চেষ্টা করবেন না। পরবর্তীতে লেজেগোবরে হয়ে যাবেন।’
সাংবাদিকদের উপর সরকারের হেনস্তা নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা আইনের মাধ্যমে আমাদের মতো সাংবাদিকেরাও হুমকির মধ্যে রয়েছে। এই আইন দিয়ে যেকোনো মিডিয়া হাউস বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব। এ ছাড়া সরকারের কাছে কোনো জবাবদিহিরও সুযোগ নেই।’ তিনি উল্লেখ করেন, ‘সরকারের কর্তৃত্ববাদী মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসা দরকার। এগুলো সুশাসন না দিয়ে, দুঃশাসন দেবে।’
সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে সরকারের হেনস্তা নিয়ে তিনি বলেন, ‘তাঁকে সরকার গত এক সপ্তাহ ধরে বেশি পরিমাণে হেনস্তা করছে। এখন পর্যন্ত এই হেনস্তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই। মূলত সালমান মুক্তাদিরকে সরকার “সাইজ” করতে চায়। কিন্তু এটি করার জন্য সরকারের কাছে কোনো সিরিয়াস টুলস নেই। গ্রেপ্তার করতে পারছে না তাঁর প্রোফাইল এবং ফলোয়ার বেশি থাকার কারণে।’
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন। শফিকুর রহমান বলেন, সরকারের জনকল্যাণমূলক কাজে সহযোগিতা করা হবে, কিন্তু জনস্বার্থবিরোধী কাজের প্রতিবাদ করা হবে।
"সাইবার সুরক্ষা আইন দিয়ে যেকোনো মিডিয়া হাউস বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব। এ ছাড়া সরকারের কাছে কোনো জবাবদিহিরও সুযোগ নেই।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, সালমান মুক্তাদির, শফিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ সপ্তাহ (সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে হেনস্তা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!