📌 মৎস্য উৎপাদনের প্রতিটি পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, নিরাপদ ও মানসম্মত মাছ উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে
ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে মৎস্য উৎপাদনের মান নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে খাদ্যের চাহিদার চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই প্রধান হয়ে উঠেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মৎস্য উৎপাদনের প্রতিটি পর্যায়ে মান নিয়ন্ত্রণ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ
- 📌 নিরাপদ ও গুণগত মানসম্পন্ন মাছ উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য
- 📌 মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে অভয়াশ্রম নিশ্চিত করা প্রয়োজন
- 📌 পরিবেশসম্মত উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে জোর
- 📌 প্রবাসী বাংলাদেশিদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) আয়োজিত ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণে মৎস্যসম্পদ: বর্তমান প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববাজারে খাদ্যের অভাবের চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই এখন প্রধান হয়ে উঠেছে। তাই বাংলাদেশেও নিরাপদ ও গুণগত মানসম্পন্ন মাছ উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রাকৃতিক প্রজনন ও উৎপাদন বাড়াতে পর্যাপ্ত অভয়াশ্রম নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তিনি আরও বলেন, অতিরিক্ত কীটনাশক ও সার ব্যবহারসহ বিভিন্ন পরিবেশগত চাপ মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন ও প্রজনন বাধাগ্রস্ত করছে। এ থেকে উত্তরণে পরিবেশসম্মত ও আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।
আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সীমিত জায়গায় অধিক মাছ উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের মৎস্যপণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে দেশের মিঠাপানির মাছের বড় বাজার রয়েছে। তাদের চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব। তবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে হলে সেই দেশের মানুষের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী মাছ উৎপাদনে নজর দিতে হবে।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেন, মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে মাছের বেড়ে ওঠা ও প্রজননের উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, নদী-নালা দখল, নাব্যতা সংকট ও শিল্পকারখানার বর্জ্যে পানিদূষণের কারণে মাছের স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজননক্ষেত্র বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী পুনঃখননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে মাছের প্রজনন ও বিচরণের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, মাছ চাষে অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে খাদ্যনিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়ছে। এ বিষয়ে খামারিদের সচেতন করতে জেলাভিত্তিক সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
"বিশ্ববাজারে খাদ্যের চাহিদার চেয়ে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্যের চাহিদাই প্রধান হয়ে উঠেছে। তাই বাংলাদেশেও নিরাপদ ও গুণগত মানসম্পন্ন মাছ উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!