📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কর্মকর্তা উপস্থিতিতে সার বিক্রির অপব্যবহার: কৃষকদের দাবি অতিরিক্ত দামে চড়া দামে সার বিক্রি

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কর্মকর্তা উপস্থিতিতে সার বিক্রির অপব্যবহার: কৃষকদের দাবি অতিরিক্ত দামে চড়া দামে সার বিক্রি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার তমাল চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে কর্মকর্তা উপস্থিতিতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের দাবি, সার মনিটরিং কর্মকর্তার চোখের সামনে অনিয়ম ঘটছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার তমাল চন্দ্র সাহার বিরুদ্ধে কর্মকর্তা উপস্থিতিতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কৃষকদের দাবি, সার মনিটরিং ও সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই এসব অনিয়ম ঘটছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের শোভাগঞ্জ বাজারে ২৮ অক্টোবর সার ডিলার পয়েন্টে কর্মকর্তা উপস্থিতিতে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির অভিযোগ উঠেছে
  • 📌 কৃষকদের অভিযোগ, প্রতি বস্তায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হচ্ছে এবং সার মজুত ও বিতরণ রেজিস্টারে গরমিল রয়েছে
  • 📌 উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মণ্ডল বলেছেন, সার বিক্রির সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু মজুত ও বিক্রির স্টক রেজিস্টারে গরমিলের বিষয়টি নিজে দেখেননি
  • 📌 ডিলার মনোনীত ম্যানেজার বিধু রঞ্জন ও সহযোগী চণ্ডী দাস অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, কিন্তু সার বিক্রির সময়ের অজুহাত দিয়েছেন
  • 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি বলেছেন, অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির কোনো সুযোগ নেই এবং বিষয়টি তদন্ত করা হবে

📰 বিস্তারিত

গত বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শোভাগঞ্জ বাজারে অবস্থিত মেসার্স তমাল চন্দ্র সাহার ডিলার পয়েন্টে সার কিনতে আসা কৃষকদের অভিযোগ, কর্মকর্তা উপস্থিতিতে সার বিক্রির সময় অতিরিক্ত দামের দাবি করা হচ্ছে। কৃষকদের বলা, সার নিতে গেলে ব্লক সুপারভাইজার ও ডিলারের লোকজন নানা অজুহাতে সার দিতে চান না। তবে অতিরিক্ত ২০০ থেকে ৩০০ টাকা দিলে চাহিদামতো সার পাওয়া যায়। এমনকি অতিরিক্ত টাকা দিলে স্লিপেরও প্রয়োজন হয় না বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

কৃষকদের আরও অভিযোগ, সার মনিটরিং ও সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করার দায়িত্বে নিয়োজিত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাও ডিলার পয়েন্টে উপস্থিত থাকেন। তাঁর উপস্থিতিতেই এসব অনিয়ম ঘটছে বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেছেন, ‘হিসাব করার সময় আমি সেখানে ছিলাম। হিসাবের সঙ্গে মজুতের গরমিল পাওয়া গেছে। সার বিক্রির পর স্টকে টিএসপির ৩৩ বস্তা এবং ডিএপির ৫৬ বস্তার গরমিল পাওয়া গেছে।’

অভিযোগের বিষয়ে ডিলার মনোনীত ম্যানেজার বিধু রঞ্জন (৪৫) বলেছেন, ‘অতিরিক্ত দামে কোনো সার বিক্রি করা হয়নি। কিছু সার মেমো করা হয়েছে, আবার কিছু সার মেমো ছাড়াই ঘর থেকে বের হয়ে গেছে। বিষয়গুলো আমরা বুঝতে পারিনি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমি সার নিতে আসা কৃষকদের কথা বলতেই কৃষি কর্মকর্তা আমাকে অফিসে ডেকেছেন।’

ডিলার পয়েন্টের পাশে অবস্থান করা ম্যানেজারের সহযোগী চণ্ডী দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘সেদিন সার বিক্রির সময় হরিলুট হয়েছে। কে কয় বস্তা নিয়ে গেছে, কিছুই বুঝতে পারিনি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা লোকসানে আছি। এ কারণে সারের হিসাব মেলাতে পারিনি।’

বিষয়টি সম্পর্কে বিসিআইসি অনুমোদিত সার ডিলার তমাল চন্দ্র সাহা বলেছেন, ‘আমার ডিলার পয়েন্টে এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি।’

সংশ্লিষ্ট ডিলার পয়েন্টের সার মনিটরিং ও সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করার দায়িত্বে নিয়োজিত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান মণ্ডল বলেছেন, ‘ঘটনার সময় আমি কৃষি কার্ডের কাজে ছিলাম। ঠিক সেই মুহূর্তে স্যার আমাকে ফোন করে ঘটনাস্থলে যেতে বলেন। সেখানে গিয়ে একটি ভ্যানে ১০ বস্তা সার দেখতে পাই।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘গরমিলের বিষয়টি শুনেছি, তবে নিজে দেখিনি।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘বিষয়গুলো আমি শুনেছি। সংশ্লিষ্ট ডিলারের কাছে মজুত ও বিক্রির স্টক রেজিস্টার চেয়েছি। সার বিতরণে কোনো গরমিল রয়েছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইফফাত জাহান তুলি বলেছেন, ‘অতিরিক্ত দামে সার বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। সারের মজুত, বিক্রি ও স্টক রেজিস্টারে গরমিলের বিষয়টি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

"দুপুর ১২টার দিকে সার নিতে গিয়েছিলাম। আরও আট দশজন ব্যবসায়ী ছিলাম আমরা। ভ্যানে ভ্যানে সার যাচ্ছে। অথচ বিএস মিজান ওখানে নিজেই উপস্থিত। আমরা চাইলে খালি কয় শেষে নেন। পরে বিকেল ৪টার দিকে কয় সার আর নাই। পরে হিসাব করি দেখে কাগজ কলমে সার আছে কিন্তু গোডাউনে সার নাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শোভাগঞ্জ বাজার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা, গাইবান্ধা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তমাল চন্দ্র সাহা (ডিলার), মিজানুর রহমান মণ্ডল (উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা), বিধু রঞ্জন (ম্যানেজার), চণ্ডী দাস (সহযোগী), কৃষকদের দল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ অক্টোবর, ১২ টা, ২০০-৩০০ টাকা, ৪৫ বছর, ৪ টা, ৩৩ বস্তা, ৫৬ বস্তা, ১০ বস্তা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖