📅 ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

এলপিজি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব: ১৩৯ টাকা বেশি দিতে হবে ক্রেতাদের, শুনানি শেষে তাড়াহুড়ো সিদ্ধান্ত

এলপিজি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব: ১৩৯ টাকা বেশি দিতে হবে ক্রেতাদের, শুনানি শেষে তাড়াহুড়ো সিদ্ধান্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশে এলপিজির বর্তমান দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, কিন্তু বাজারে ৫০০-৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের। বিইআরসি কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাবে ১৩৯ টাকা বেশি দাম নির্ধারণ করেছে। শুনানির পর মাত্র এক দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়ার চাপে রয়েছে কমিশন।

বাংলাদেশে এলপিজি ক্রেতাদের বর্তমান দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। এই অস্থিরতা মোকাবেলায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। কমিশনের কারিগরি কমিটি ১৩৯ টাকা বেশি দাম নির্ধারণের সুপারিশ করেছে, ফলে বর্তমান ১ হাজার ৮৩৭ টাকার দাম হবে ১ হাজার ৯৭৬ টাকা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বর্তমানে নির্ধারিত এলপিজি দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা, কিন্তু বাজারে ৫০০-৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে ক্রেতাদের
  • 📌 বিইআরসি কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাবে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছে ১ হাজার ৯৭৬ টাকা
  • 📌 পরিবেশকদের কমিশন বাড়ানো হয়েছে ৫০ টাকা থেকে ৮০ টাকা, খুচরা বিক্রেতাদের ৪৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা
  • 📌 শুনানির পর মাত্র এক দিনের মধ্যে মতামত জমা দিতে বলা হয়েছে, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় কম
  • 📌 ৩৫টি এলপিজি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১০টি আমদানি করেছে গত মাসে, বাজারে অস্থিরতা চলছে
  • 📌 ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, ডেলটা ও মেঘনা গ্রুপের মতো কোম্পানিগুলো কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গত বৃহস্পতিবার দিনভর গণশুনানি করেছে এলপিজি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব নিয়ে। শুনানিতে আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা তাদের কমিশন বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। কমিশনের কারিগরি কমিটি ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম বাড়ানোর সুপারিশ করেছে ১৩৯ টাকা। এটি কার্যকর হলে বর্তমান দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে হবে ১ হাজার ৯৭৬ টাকা।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছেন, নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ প্রায়ই আসে। তবে কখনো কম দামেও বিক্রি হয়েছে। তিনি বলেছেন, ২০২১ সালে নির্ধারিত খরচের দিকগুলো এখন পরিবর্তন হতে পারে। বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম ও জাহাজভাড়া বেড়ে যাওয়ায় শুধু নিয়মিত সমন্বয়েই ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১০০ টাকার বেশি বাড়তে পারে। এর সঙ্গে বাড়তি কমিশন যুক্ত হলে ভোক্তার ওপর চাপ আরও বাড়বে।

বাজারে অস্থিরতা চলছে টানা দেড় মাস। অক্টোবরের শুরুতে এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল। এরপরও বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি থামেনি। দেশে এলপিজি ব্যবসায় যুক্ত ৩৫টি কোম্পানির মধ্যে মাত্র ১০টি আমদানি করেছে গত মাসে। বর্তমানে কোম্পানিগুলো প্রতি ১২ কেজির সিলিন্ডারে মজুত ও বোতলজাত করার খরচ বা কমিশন পায় ২০০ টাকা। ওমেরা এই কমিশন বাড়িয়ে ৪৭৮ টাকা, পেট্রোম্যাক্স ৩৪৯ টাকা, ডেলটা ৩৬০ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। মেঘনা গ্রুপের প্রস্তাব ৩০০ টাকা। পরিবেশকদের কমিশন বাড়ানোর দাবি ৫০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা, খুচরা বিক্রেতাদের ৪৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা।

"নিয়মিত মূল্য সমন্বয়ের কারণে দাম বাড়তে পারে। এছাড়া বাড়তি কমিশন যুক্ত হলে ভোক্তার ওপর চাপ আরও বাড়বে।" — জালাল আহমেদ, বিইআরসি চেয়ারম্যান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সারাদেশ)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: জালাল আহমেদ (বিইআরসি চেয়ারম্যান), আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩৯ টাকা (দাম বাড়ানোর প্রস্তাব), ১ হাজার ৯৭৬ টাকা (নতুন দাম), ৫০০-৭০০ টাকা (বাজারে বাড়তি দাম), ১০০ টাকা (নিয়মিত সমন্বয়), ২০০ টাকা (বর্তমান কমিশন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖