📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আধুনিক জীবনধারায় বাড়ছে পার্টিকেল বোর্ডের চাহিদা, স্থানীয় উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা

আধুনিক জীবনধারায় বাড়ছে পার্টিকেল বোর্ডের চাহিদা, স্থানীয় উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দ্রুত নগরায়ণ ও করপোরেট শ্রেণির প্রসারের ফলে দেশে পার্টিকেল বোর্ড, মেলামাইন ফেসড বোর্ড ও এমডিএফ-এর মতো আধুনিক ইন্টেরিয়র বোর্ডের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের ফলে প্রতি বছর ১৮ থেকে ২০ শতাংশ হারে বাজার সম্প্রসারিত হচ্ছে।

দ্রুত নগরায়ণ ও আধুনিক জীবনধারার প্রভাব হিসেবে দেশের মধ্যবিত্ত ও করপোরেট শ্রেণির মধ্যে ভবন সাজসজ্জার চাহিদা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই চাহিদা মেটাতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পার্টিকেল বোর্ড, মেলামাইন ফেসড বোর্ড, এমডিএফ ও প্লাইউডের মতো টেকসই ও সাশ্রয়ী বোর্ডের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রাকৃতিক সলিড কাঠের তুলনায় এসব বোর্ডের স্থায়িত্ব, নান্দনিকতা ও মূল্য সাশ্রয়িতাই প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশে পার্টিকেল বোর্ড ও মেলামাইন ফেসড বোর্ডের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা
  • 📌 ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রবৃদ্ধির কারণে এই খাত প্রতি বছর ১৮ থেকে ২০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  • 📌 দেশীয় উৎপাদকরা বাজারের ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করছে
  • 📌 পার্টিকেল বোর্ডের ৫৫ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে ফার্নিচার খাতে, বাকি অংশ ব্যবহৃত হচ্ছে ভবন ও অফিসের ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনে
  • 📌 মেলামাইন বোর্ডের চাহিদা বৃদ্ধির প্রধান কারণ এর আকর্ষণীয় ফিনিশিং ও স্থায়িত্ব

📰 বিস্তারিত

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের তথ্যমতে, দেশে পার্টিকেল বোর্ড ও মেলামাইন ফেসড বোর্ডের বাজার মূল্য বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ইন্টেরিয়র ডিজাইনের প্রবৃদ্ধির কারণে এই খাত প্রতি বছর ১৮ থেকে ২০ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশীয় উৎপাদকরা বাজারের ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করছে, যা পূর্বে আমদানিনির্ভর ছিল।

বর্তমানে দেশে ব্যবহৃত পার্টিকেল বোর্ডের প্রায় ৫৫ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে ফার্নিচার খাতে। বাকি অংশ ব্যবহৃত হচ্ছে ভবন ও অফিসের ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনে। মেলামাইন বোর্ডের চাহিদা বৃদ্ধির প্রধান কারণ এর আকর্ষণীয় ফিনিশিং ও স্থায়িত্ব। স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর উদ্যোগে দেশীয় কারখানাগুলো চাহিদার সিংহভাগ জোগান দিচ্ছে।

আকিজ বশির গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আকিজ বোর্ড ময়মনসিংহের ত্রিশালে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ও আধুনিক বোর্ড উৎপাদন কারখানা স্থাপন করেছে। এখানে জার্মানির অত্যাধুনিক ‘সিম্পেলক্যাম্প’ প্রযুক্তির মাধ্যমে উচ্চমানের পার্টিকেল বোর্ড, মেলামাইন ফেসড বোর্ড ও ই-টু গ্রেডের এমডিএফ বোর্ড উৎপাদিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের এই প্রযুক্তি বোর্ডের মসৃণতা, অভিন্ন ঘনত্ব ও ঘুণ ও আর্দ্রতা প্রতিরোধ ক্ষমতা নিশ্চিত করছে।

"আমরা ঠান্ডা ও গরম পানি এবং তাপ প্রতিরোধী বিভিন্ন ধরনের বিশেষায়িত বোর্ড বাজারজাত করছি। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানের ফোর প্রেস-টেকনোলজি ব্যবহার করে দেশে প্লাইউড উৎপাদন করছি। এসব পণ্যও ই–জিরো মানসম্পন্নভাবে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।"

সুপার ফরমিকা অ্যান্ড লেমিনেশন লিমিটেডের হেড অব বিজনেস মোহাম্মদ নুরুন নবী জানান, দেশে সাধারণত ই–ওয়ান থেকে ই–ফোর মানের বোর্ড উৎপাদিত হয়। তবে ই–জিরো মানের বোর্ড সম্পূর্ণ নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব। তিনি আরও বলেন, ভিনিয়ার বোর্ড, ডেকোরেটিভ মেলামাইন, অ্যাক্রিলিক, এইচপিএল শিট ও পিইটি পণ্য দেশে উৎপাদন ও বাজারজাতের ফলে ভোক্তাদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ময়মনসিংহের ত্রিশাল
  • 👥 ব্যক্তি: মোহাম্মদ নুরুন নবী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার কোটি টাকা, ১৮-২০ শতাংশ, ৮৫-৯০ শতাংশ, ৫৫ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖