📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজশাহীতে সারের হাহাকার: ডিডি বদলি, কৃষকেরা দিশেহারা একের পর এক ডিলারের কাছে

রাজশাহীতে সারের হাহাকার: ডিডি বদলি, কৃষকেরা দিশেহারা একের পর এক ডিলারের কাছে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজশাহীতে আমন মৌসুমে সারের অভাবে কৃষকেরা হয়রানির শিকার। অনিয়মের অভিযোগে রাজশাহী কৃষি অধিদপ্তরের ডিডিকে সাতক্ষীরায় বদলি করা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার সার জব্দ করা হয়েছে

রাজশাহী জেলায় আমন ধান চাষের মৌসুমে সারের জন্য কৃষকেরা একের পর এক হয়রানির মুখোমুখি হচ্ছেন। বেশ কয়েকটি ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ থাকায় কৃষকেরা সার সংগ্রহ করতে পারছেন না। এ অবস্থায় রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ডিডি) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্রে বদলি করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন শরীয়তপুরের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 রাজশাহীতে আমন মৌসুমে সারের জন্য কৃষকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন
  • 📌 সার বিক্রয়কেন্দ্রগুলো প্রায়ই বন্ধ থাকায় কৃষকেরা সার সংগ্রহ করতে পারছেন না
  • 📌 অনিয়মের অভিযোগে রাজশাহী কৃষি অধিদপ্তরের ডিডি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে সাতক্ষীরায় বদলি করা হয়েছে
  • 📌 অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার সার জব্দ করা হয়েছে
  • 📌 তদন্ত কমিটি অবৈধ সার মজুতের ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেছে

📰 বিস্তারিত

রাজশাহীর পবা উপজেলার আলীমগঞ্জ এলাকার বিসিআইসির সার ডিলার আবদুল গাফফারের বিক্রয়কেন্দ্র ‘মেসার্স মুনলাইট কৃষি বিতান’ গতকাল শনিবার সকালেও বন্ধ ছিল। এখানে সার নিতে আসা একদল কৃষক দোকান খোলা না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরে যান। ডিলার আবদুল গাফফারকে ফোন করলে তিনি জানান, তিনি রাজশাহীর বাইরে আছেন এবং তাঁর ব্যবস্থাপককে ফোন দিতে বলেন। ব্যবস্থাপককে ফোন করলে তিনি জানান, তিনি বাজার করতে গেছেন।

পবার নতুন কসবা গ্রামের কৃষক গোলাম পাঞ্জাতন জানান, তিনি এবার ১১ বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তাঁর এক ছটাক সারও দেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি তিন দিন ধরে এই ডিলারের দোকানে ঘুরছেন, কিন্তু দোকান খোলা পাননি। আজও সার না পেয়ে খালি হাতে ফিরেছেন তিনি। একই বিক্রয়কেন্দ্রে সার নিতে এসেছিলেন গোদাগাড়ীর চাপাল গ্রামের কৃষক আতাউল হোসেন। তিনি চার বিঘা জমির জন্য সার সংগ্রহ করতে পারেননি। তিনি জানান, গোদাগাড়ীর রাজাবাড়ি এলাকার ডিলারের কাছ থেকে সাধারণত সার সংগ্রহ করলেও এবার তিনি সার দিতে পারছেন না।

বেলা একটার দিকে ডিলার আবদুল গাফফারকে ফোন করলে তিনি প্রথম আলোকে জানান, তাঁর ব্যবস্থাপক দোকান খুলেছেন। ততক্ষণে যাঁরা সার নিতে এসেছিলেন, তাঁরা সবাই অন্য ডিলারের কাছে ছুটে যান। মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে কৃষক বেলাল হোসেন জানান, তাঁরা পাঁচজন কৃষক ডিলার নজরুল ইসলামের কাছ থেকে সাত বস্তা ইউরিয়া সার সংগ্রহ করতে পেরেছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, রাজশাহীর কৃষকেরা চাহিদামতো সার পাচ্ছেন না এবং দামও বেশি। এর আগের দিন বুধবার এ বিষয়ে একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। এর পর থেকে কর্তৃপক্ষ অভিযান জোরদার করেছে। একই দিনে চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকার সার জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয় থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির প্রধান ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. খালেদুর রহমান। কমিটি গতকাল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

"রাজশাহীর জন্য বাড়তি সার চাওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের সংকট তৈরি না হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী জেলা
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: ডিডি মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, মোস্তফা কামাল হোসেন, আবদুল গাফফার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বিঘা, ১০ লাখ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖