📌 মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর অভিযানে ৩২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে প্রভাবশালীদের যোগসাজশে সরকারি জায়গা দখলের। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয় অভিযানের বিরুদ্ধে
মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) অভিযানে ৩২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে লঞ্চঘাটের প্রবেশমুখ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থিত এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিআইডব্লিউটিএর অভিযানে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় ৩২টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ
- 📌 উচ্ছেদ করা স্থাপনাগুলোর মধ্যে খাবারের হোটেল, চায়ের দোকান ও টংঘর অন্তর্ভুক্ত
- 📌 অভিযোগ: প্রভাবশালীদের যোগসাজশে সরকারি জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ
- 📌 ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের অভিযোগ: কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই অভিযান পরিচালনা
- 📌 বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পুনরায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় বিআইডব্লিউটিএর অভিযান পরিচালিত হয় রোববার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। অভিযানে লঞ্চঘাটের প্রবেশমুখ ও আশপাশের এলাকায় অবস্থিত খাবারের হোটেল, চায়ের দোকান, টংঘরসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালীদের সহায়তায় সরকারি জায়গা দখল করে এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। ফলে লঞ্চঘাট এলাকায় যানবাহন ও যাত্রীদের চলাচলে প্রায়ই সমস্যার সৃষ্টি হতো।
অভিযানের সময় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, তাঁদের কোনো ধরনের আগাম নোটিশ দেওয়া হয়নি। হঠাৎ করে অভিযান শুরু হওয়ায় তাঁদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। একপর্যায়ে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় এর আগেও অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু পরে আবারও সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা গড়ে ওঠে। তাই পুনরায় অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
"মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকায় এর আগেও অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছিল। কিন্তু পরে আবারও সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা গড়ে ওঠে। তাই পুনরায় অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
এছাড়া মানিকগঞ্জে মাদক মামলায় জামিনে মুক্তির এক মাসের মধ্যে প্রাইভেটকার চুরির অভিযোগে মো. রাসেল মিয়াকে পিবিআই আটক করেছে। রোববার ঢাকার ধামরাই উপজেলার জয়পাড়া কালীমন্দির এলাকা থেকে তাকে গাড়িসহ আটক করা হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাট এলাকা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোস্তাফিজুর রহমান (বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক), মো. রাসেল মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২টি অবৈধ স্থাপনা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!