📌 ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে গ্যাসের চাহিদা বৃদ্ধির সুযোগ কাজে লাগাতে উৎপাদন সম্প্রসারণ করছে নাইজেরিয়া। দেশটির পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রী একপেরিকপে একপো জানিয়েছেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ২০টি গ্যাস প্রকল্পের বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ফলে বিশ্ববাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নিয়েছে নাইজেরিয়া। দেশটির পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রী একপেরিকপে একপো জানিয়েছেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ২০টি গ্যাস প্রকল্পের চূড়ান্ত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে গ্যাসের সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে
- 📌 নাইজেরিয়া নিজেদের গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নিয়েছে
- 📌 দেশটির পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রী একপেরিকপে একপো জানিয়েছেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ২০টি গ্যাস প্রকল্পের চূড়ান্ত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে
- 📌 নাইজেরিয়ার অভ্যন্তরীণ গ্যাসের দাম কমাতে এবং লাখ লাখ পরিবারকে কাঠ, কয়লা ও কেরোসিন থেকে গ্যাস ব্যবহারের দিকে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চলছে
📰 বিস্তারিত
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের ফলে বিশ্ববাজারে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে নিজেদের গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নিয়েছে নাইজেরিয়া। দেশটির পেট্রোলিয়াম প্রতিমন্ত্রী একপেরিকপে একপো জানিয়েছেন, আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ২০টি গ্যাস প্রকল্পের চূড়ান্ত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, নাইজেরিয়া নিজেদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে ইউরোপসহ আন্তর্জাতিক চাহিদা মেটাতে চায়। তবে দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারে উচ্চ গ্যাসের দাম এবং গৃহস্থালি ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাসের সরবরাহ কম থাকায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অব্যাহত রয়েছে।
একপো জানান, সরকার দেশবাসীকে কাঠ, কয়লা ও কেরোসিন থেকে গ্যাস ব্যবহারের দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এছাড়া, গ্যাস উত্তোলনের সময় অপচয় রোধ এবং গ্যাস ফ্লেয়ারিং কমানোর উদ্যোগও চলছে।
"ইরানে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে গ্যাসের সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নাইজেরিয়া নিজেদের গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে ২০টি গ্যাস প্রকল্পের চূড়ান্ত বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নাইজেরিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: একপেরিকপে একপো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!