📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জুলাই-আগস্টের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ১২ মাসের কিস্তির দাবি বিকেএমইএর

জুলাই-আগস্টের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে ১২ মাসের কিস্তির দাবি বিকেএমইএর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গ্যাস ও বিদ্যুতের মারাত্মক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত নিটওয়্যার শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই ও আগস্টের বিল আগামী ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চেয়েছে। বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে অনুরোধ জানিয়েছেন

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ) গ্যাস ও বিদ্যুতের মারাত্মক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর জুলাই ও আগস্টের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল আগামী ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চেয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম স্বাক্ষরিত চিঠিতে জুলাই-আগস্টের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের দাবি জানানো হয়েছে
  • 📌 গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় কারখানাগুলো উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারেনি এবং বিকল্প জ্বালানি সংগ্রহে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে
  • 📌 অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে
  • 📌 বিকেএমইএর মতে, সরকারের সহযোগিতায় রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে

📰 বিস্তারিত

গ্যাস ও বিদ্যুতের মারাত্মক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর জুলাই ও আগস্টের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল আগামী ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের সুযোগ চেয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠনটি।

৯ আগস্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, জুলাই ও আগস্ট মাসে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের কারণে দেশের নিটওয়্যার শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিশেষ করে খোলা সিলিন্ডার ও সিলিন্ডারের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কারখানাগুলোয় স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় অনেক প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারেনি।

উৎপাদন অব্যাহত রাখতে কারখানার মালিকদের নগদ অর্থ ব্যয় করে ডিজেল, এলপিজি ও অন্যান্য বিকল্প জ্বালানি সংগ্রহ করতে হয়েছে। এসব জ্বালানি কেনার অতিরিক্ত ব্যয় কারখানাগুলোর পূর্বনির্ধারিত উৎপাদন ব্যয়ের মধ্যে ছিল না। ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

"সরকারের বিবেচনা ও সহযোগিতায় রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতির ধারাবাহিক অগ্রযাত্রা বজায় থাকবে বলে সংগঠনটি আশা করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ হাতেম, ইকবাল হাসান মাহমুদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ মাস

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖