📌 বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট উদ্যোগকে আরও গতিশীল করতে বিকাশ দেশজুড়ে মার্চেন্টদের নিয়ে মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে। এসব সভায় অংশ নিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ মার্চেন্ট, যেখানে ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা ও তাৎক্ষণিক ঋণ ব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বজনীন ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করতে এবং ক্যাশলেস লেনদেনের ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় মার্চেন্টদের নিয়ে মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে বিকাশ। ইতোমধ্যে দেশের ৯৭টি এলাকায় আয়োজিত এসব সভায় বিকাশ-এর প্রায় ১ হাজার মার্চেন্ট অংশগ্রহণ করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশজুড়ে ৯৭টি এলাকায় আয়োজিত হয়েছে বিকাশ-এর মার্চেন্টদের মতবিনিময় সভা
- 📌 প্রায় ১ হাজার ৫০০ মার্চেন্ট অংশ নিয়েছেন এই সভাগুলোয়
- 📌 ‘বাংলা কিউআর’-এ পেমেন্ট গ্রহণ করলে তা সরাসরি মার্চেন্টদের অ্যাকাউন্টে জমা হয়
- 📌 মার্চেন্টরা যুগোপযোগী ‘ক্রেডিট রেটিং’ সুবিধা পাচ্ছেন, যা তাঁদের তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ঋণ গ্রহণে সহায়ক
- 📌 ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে চালু হয়েছে মার্চেন্টদের জন্য স্বল্পমেয়াদি ডিজিটাল ঋণ সুবিধা
- 📌 মার্চেন্ট পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ‘ডিজিটাল পেমেন্ট স্পিকার’, যা পেমেন্ট সফলতার তথ্য সরাসরি জানিয়ে দেয়
- 📌 বাংলা কিউআর স্ক্যান করে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট করার সময় বিকাশ গ্রাহকরা ‘পে-লেটার’ নামের বিশেষ ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন
- 📌 দেশের সব প্রান্তে মুদি দোকান থেকে শুরু করে সুপারশপ মিলিয়ে ছোট-বড় ৮ লাখেরও বেশি মার্চেন্টে বাংলা কিউআর স্থাপন করেছে বিকাশ
- 📌 বাংলা কিউআর-এর মাধ্যমে প্রতিদিন গড়ে ২০০ কোটি টাকার বেশি পেমেন্ট সম্পন্ন হচ্ছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট উদ্যোগকে আরও বেগবান করতে বিকাশ দেশজুড়ে মার্চেন্টদের নিয়ে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভা আয়োজন করেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় আয়োজিত এই সভাগুলোয় বিকাশ-এর প্রায় ১ হাজার ৫০০ মার্চেন্ট অংশগ্রহণ করেন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার উপায়।
সভা থেকে জানানো হয়, ‘বাংলা কিউআর’-এ পেমেন্ট গ্রহণ করলে তা সরাসরি মার্চেন্টদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়। এর ফলে নগদ টাকা বহনের ঝুঁকি ও ভাঙতি টাকার সমস্যা দূর হয়। একই সঙ্গে লেনদেনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় এবং ব্যবসায়িক হিসাব রাখাও সহজতর হয়। মার্চেন্টদের লেনদেন পর্যালোচনা করে ‘ক্রেডিট রেটিং’ তৈরি করা হচ্ছে, যার ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা কোনো জামানত ছাড়াই তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ঋণ সুবিধা পেতে পারেন।
এরই মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে বিকাশ মার্চেন্টদের জন্য স্বল্পমেয়াদি তাৎক্ষণিক ডিজিটাল ঋণ সুবিধা চালু করেছে। বেশ কয়েকজন মার্চেন্ট ইতোমধ্যে এই সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া মার্চেন্ট পয়েন্টে স্থাপন করা হয়েছে ‘ডিজিটাল পেমেন্ট স্পিকার’, যার মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পিকারে অর্থের পরিমাণ ও সফলতার তথ্য ঘোষণা করা হয়। ফলে গ্রাহক বা মার্চেন্টদের আলাদাভাবে পেমেন্ট সফল হয়েছে কি না তা যাচাই করতে হয় না।
বিকাশ গ্রাহকদের জন্যও বাংলা কিউআর-এর সম্প্রসারিত নেটওয়ার্কে বিশেষ সুবিধা রয়েছে। বাংলা কিউআর স্ক্যান করে তাৎক্ষণিক পেমেন্ট করার সময় গ্রাহকরা ‘পে-লেটার’ নামের জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন। এমনকি অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স না থাকলেও তাঁরা তাৎক্ষণিক কেনাকাটা করতে পারছেন। এছাড়া অ্যাপ থেকে বিকাশ অ্যাকাউন্টে সংযুক্ত ভিসা কার্ডের মাধ্যমেও পেমেন্ট করা যাচ্ছে। সর্বোচ্চ সংখ্যক ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি করেও বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা এনে পেমেন্ট করার সুবিধাও রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিকাশ-এর মার্চেন্টরা ও গ্রাহকরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৭টি এলাকা, ১ হাজার ৫০০ মার্চেন্ট, ৮ লাখ মার্চেন্ট, ২০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!