📌 বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে উচ্চমানের বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে দ্রুত জাতীয় কৌশল প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড়. এম এ মুহিত। আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে গবেষণা অবকাঠামো নির্মাণ ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি
বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে বৈশ্বিক মানসম্পন্ন বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে দ্রুত একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড়. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, সরকার জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই খাতের বিকাশে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা প্রদান করা হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বায়োফার্মাসিউটিক্যাল ও ভ্যাকসিন গবেষণার প্রাথমিক অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা
- 📌 উচ্চমানের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সরকারের অগ্রাধিকার
- 📌 নিজস্ব গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কেন্দ্রীয় ল্যাব সুবিধা স্থাপনের প্রতিশ্রুতি
- 📌 তরুণ গবেষকদের জন্য প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা তহবিল বৃদ্ধির ঘোষণা
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত 'জেনেরিক থেকে বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন: বায়ো-ইকোনমির পথে বাংলাদেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়ন' শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড়. এম এ মুহিত এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে এবং এখন সময় এসেছে এটিকে উচ্চপর্যায়ের বায়োসিমিলার, ভ্যাকসিন ও বায়োটেকনোলজির ধাপে উন্নীত করার।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমাদের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে। এখন সময় এসেছে এটিকে বায়োসিমিলার, ভ্যাকসিন ও বায়োটেকনোলজির মতো উচ্চপর্যায়ের ধাপে রূপান্তর করার। এটিকে কেবল স্বাস্থ্য সুরক্ষার দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না, বরং জাতীয় অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি বা বায়ো-ইকোনমির লেন্স দিয়ে দেখতে হবে।"
তিনি জানান, আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সঠিক মান ও আন্তর্জাতিক স্কেল বজায় রেখে বায়োফার্মাসিউটিক্যাল ও ভ্যাকসিন গবেষণার প্রাথমিক অবকাঠামো তৈরি করতে হবে। নতুন এই রূপান্তরে প্রায় দশ হাজার প্রশিক্ষিত দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন হবে। সরকার বিজ্ঞান ও গবেষণাকেন্দ্রিক উচ্চপর্যায়ের কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, কনট্র্যাক্ট রিসার্চ অর্গানাইজেশন (সিআরও) গড়ে তোলা এবং বায়োসিমিলার নিয়ে নিজস্ব গবেষণার সক্ষমতা বাড়ানো হবে। এছাড়া শিল্পোদ্যোক্তা ও গবেষকদের জন্য সরকারি উদ্যোগে কেন্দ্রীয় ল্যাব সুবিধা তৈরির আশ্বাস দেন তিনি।
তরুণ গবেষকদের সুযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, স্বাস্থ্য খাতের বাজেট থেকে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, মলিকুলার বায়োলজি ল্যাব স্থাপন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তরুণ গবেষকদের জন্য উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা তহবিল বাড়ানোর বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
"আমাদের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় গড়ে উঠেছে। এখন সময় এসেছে এটিকে বায়োসিমিলার, ভ্যাকসিন ও বায়োটেকনোলজির মতো উচ্চপর্যায়ের ধাপে রূপান্তর করার। এটিকে কেবল স্বাস্থ্য সুরক্ষার দৃষ্টিতে দেখলে চলবে না, বরং জাতীয় অর্থনীতির একটি বড় চালিকাশক্তি বা বায়ো-ইকোনমির লেন্স দিয়ে দেখতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড়. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩-৫ বছর, ১০ হাজার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!