📅 ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশে বিদেশি ফলের ওপর উচ্চ শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি: পুষ্টি ও রাজস্বে নেতিবাচক প্রভাব

বাংলাদেশে বিদেশি ফলের ওপর উচ্চ শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি: পুষ্টি ও রাজস্বে নেতিবাচক প্রভাব

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন বিদেশি ফলের ওপর উচ্চ শুল্ক প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে। তারা বলেছেন, বর্তমান শুল্ক কাঠামো পুষ্টি গ্রহণ ও বৈধ আমদানিকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং রাজস্ব আহরণেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শুল্ক হার ১২১.৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ

বাংলাদেশে বিদেশি ফলের ওপর উচ্চ শুল্ক কাঠামো প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, বর্তমান শুল্কের কারণে সাধারণ মানুষের পুষ্টি গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং বৈধ পথে ফল আমদানি কমে যাওয়ায় সরকারের রাজস্ব আহরণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৭ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে আপেল, কমলা, ম্যান্ডারিন, আঙুর, নাশপাতি ও আনারসের আমদানিতে ধারাবাহিকভাবে শুল্ক-কর বাড়ানো হয়েছে।
  • 📌 ২০২০-২১ অর্থবছরে শুল্ক-কর হার ছিল ৮৯.৩২ শতাংশ, কিন্তু ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১.৭৮ শতাংশে।
  • 📌 ২০২০-২১ অর্থবছরে তাজা ফলের মোট আমদানি ছিল ৮ লাখ টন, যা ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কমে ৫ লাখ ৭১ হাজার টনে নেমে এসেছে।
  • 📌 বাংলাদেশে ফলের ওপর শুল্ক-কর দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ — ভারতে ৬০ শতাংশ, পাকিস্তানে ৬০-৮০ শতাংশ, নেপালে ২৫-৩৫ শতাংশ।
  • 📌 প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে, আমদানিকৃত তাজা ফলের শুল্ক প্রত্যাহার করা এবং শুল্ক মূল্যায়ন বিধিমালা অনুসরণ করা।

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন গত ২৭ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিদেশি ফলের ওপর উচ্চ শুল্ক কাঠামো প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে। সংস্থাটি বলেছে, বর্তমান শুল্ক কাঠামো সাধারণ মানুষের পুষ্টি গ্রহণ বাধাগ্রস্ত করছে এবং বৈধ পথে ফল আমদানি কমে যাওয়ায় সরকারের রাজস্ব আহরণেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১-২২ অর্থবছর থেকে আপেল, কমলা, ম্যান্ডারিন, আঙুর, নাশপাতি ও আনারসের আমদানিতে ধারাবাহিকভাবে শুল্ক-কর বাড়ানো হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে এসব ফলের ওপর মোট শুল্ক-কর হার ছিল ৮৯.৩২ শতাংশ, কিন্তু ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২১.৭৮ শতাংশে।

শুল্ক বৃদ্ধির প্রভাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে তাজা ফলের মোট আমদানি ৮ লাখ টন থাকলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে ৫ লাখ ৭১ হাজার টনে নেমে এসেছে। তবে, আমদানি কমলেও বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ার কারণে রাজস্ব আহরণ বেড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে ফলের ওপর শুল্ক-কর দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। ভারতে ফল আমদানিতে শুল্কের হার প্রায় ৬০ শতাংশ, পাকিস্তানে ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ এবং নেপালে ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ। বিপরীতে বাংলাদেশে মোট শুল্ক-কর হার ১২১ শতাংশের বেশি। এতে আমদানিকারক ও ভোক্তা উভয় পক্ষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছে কমিশন।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বিভিন্ন বাজারে পাইকারি ও খুচরা দামের মধ্যে বড় ব্যবধান রয়েছে। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি কমলার দাম ৩২৫ টাকা হলেও খুচরা বাজারে তা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কমিশনের মতে, খুচরা পর্যায়ে মুনাফার হার যৌক্তিক পর্যায়ে আনা গেলে সাধারণ মানুষের জন্য ফলের দাম আরও সহনীয় করা সম্ভব।

"শুধু শুল্ক বাড়ানোর পরিবর্তে আমদানির পরিমাণ বাড়িয়েও রাজস্ব আদায় বাড়ানো সম্ভব। শুল্ক কমলে ভোক্তা পর্যায়ে ফলের দাম কমতে পারে, ফলে চাহিদা বাড়ার সুযোগ তৈরি হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২১.৭৮ শতাংশ (শুল্ক হার), ৮ লাখ টন (২০২০-২১ অর্থবছরে আমদানি), ৫ লাখ ৭১ হাজার টন (২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমদানি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖