📌 বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ ও দ্রুত চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতামূলক র্যালি ও সেশন আয়োজন করেছে। স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময়ের গুরুত্ব ও সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ ও দ্রুত চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করেছে। আজ বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে স্ট্রোকের লক্ষণ শনাক্তকরণ, প্রাথমিক ব্যবস্থাপনা এবং দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণ: হঠাৎ শরীরের এক পাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া, হাত-পা নিস্তেজ অনুভব করা, কথা অস্পষ্ট হওয়া বা মুখ বেঁকে যাওয়া — এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত জরুরি বিভাগে রোগী নিয়ে যাওয়া উচিত।
- 📌 চিকিৎসার সময়সীমা: মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বেঁধে স্ট্রোক হলে প্রথম সাড়ে চার ঘণ্টা মধ্যে ক্লট বাস্টার ইনজেকশন শুরু করতে হয়।
- 📌 সচেতনতার প্রয়োজন: সাধারণ মানুষ স্ট্রোকের লক্ষণ চিনতে না পারায় চিকিৎসা শুরুতে দেরি হয়, ফলে অনেক রোগীর জীবন বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ে।
- 📌 এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্যোগ: হাসপাতালের নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারি বিভাগে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড ও পেরিফেরাল নার্ভের রোগ চিকিৎসা দেওয়া হয়। পাশাপাশি স্ট্রোক-পরবর্তী রিহ্যাবিলিটেশন সেবাও প্রদান করা হয়।
📰 বিস্তারিত
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা ‘স্পট ইট, স্টপ ইট’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে সচেতনতামূলক র্যালি ও সেশন আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এভারকেয়ার হাসপাতালস, বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ডা. রত্নদীপ চাস্কার এবং গ্রুপ মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. আরিফ মাহমুদ। আলোচনা পর্বে অংশ নেন নিউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ডা. আব্দুল কাদের শেখ, ডা. খন্দকার মাহবুবর রহমান, ডা. এস.এম. হাসান শাহরিয়ার এবং প্রফেসর ডা. আনোয়ার ইসরাইল।
স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময়ের গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরে ডা. আরিফ মাহমুদ বলেন, ‘স্ট্রোক চিকিৎসায় সময়ই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকায় উন্নত নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারি সেবা এক ছাদের নিচেই পাওয়া যায়। জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে ক্রিটিক্যাল কেয়ার পর্যন্ত আমাদের স্ট্রোক ইউনিট সব সময় রোগীদের সেবা দিতে প্রস্তুত থাকে। তবে এই সবকিছু তখনই কাজে আসবে যখন মানুষ সচেতন হবে এবং রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে আসবে।’
প্রফেসর ডা. আব্দুল কাদের শেখ বলেন, ‘স্ট্রোকের চিকিৎসায় হাসপাতালের প্রস্তুতি যেমন জরুরি, তেমনি জরুরি মানুষের সচেতনতা। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই এভারকেয়ার হাসপাতালের লক্ষ্য। বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের এই আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের লক্ষ্য সাধারণ মানুষকে সচেতন করা, যাতে তাঁরা স্ট্রোকের লক্ষণ চিনতে এবং দ্রুত সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।’
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকার নিউরোলজি বিভাগে মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড, পেরিফেরাল নার্ভ ও মাংসপেশির বিভিন্ন রোগের পরামর্শ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা দেওয়া হয়। পাশাপাশি ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারের সহযোগিতায় স্ট্রোক-পরবর্তী নিউরো রিহ্যাবিলিটেশন সেবাও প্রদান করা হয়।
"স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময়ই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকায় উন্নত নিউরোলজি ও নিউরোসার্জারি সেবা এক ছাদের নিচেই পাওয়া যায়। তবে এই সবকিছু তখনই কাজে আসবে যখন মানুষ সচেতন হবে এবং রোগীকে সময়মতো হাসপাতালে নিয়ে আসবে।"
"স্ট্রোকের চিকিৎসায় হাসপাতালের প্রস্তুতি যেমন জরুরি, তেমনি জরুরি মানুষের সচেতনতা। বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই এভারকেয়ার হাসপাতালের লক্ষ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, এভারকেয়ার হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. আরিফ মাহমুদ, প্রফেসর ডা. আব্দুল কাদের শেখ, ডা. খন্দকার মাহবুবর রহমান, ডা. এস.এম. হাসান শাহরিয়ার, প্রফেসর ডা. আনোয়ার ইসরাইল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সাড়ে চার ঘণ্টা (স্ট্রোক চিকিৎসার সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!