📌 বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিমান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস তাদের বহরে ২১টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে
বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আঞ্চলিক বিমান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। একইসঙ্গে দেশের বিমান পরিবহন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস তাদের বহরে ২১টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার বিমান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন
- 📌 ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে ২১টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ
- 📌 আন্তর্জাতিক রুটে বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর আধিপত্যের কারণে রাজস্ব দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে
- 📌 নতুন উড়োজাহাজ ও রুট চালু ছাড়াও দক্ষ মানবসম্পদ, কার্গো পরিবহন ও পর্যটন খাতের বিকাশ প্রয়োজন
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বিমান পরিবহন কেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম জানান, দেশের বিমান পরিবহন খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তাদের বহরে ২১টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত হতে যাচ্ছে।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক রুটগুলোতে বিদেশি বিমান সংস্থাগুলোর আধিপত্যের কারণে অ্যাভিয়েশন খাতের রাজস্বের একটি বড় অংশ দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দেশীয় বিমান সংস্থাগুলোর শক্তিশালী বহর আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে অর্জিত রাজস্ব দেশে ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, নতুন উড়োজাহাজ ও নতুন রুট চালু করার পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, কার্গো পরিবহন, পর্যটন খাতের বিকাশ, উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে এই খাতের বহুমাত্রিক বিকাশ সম্ভব। বিশ্লেষকদের মতে, অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, বিমানবন্দরের চার্জ ও ট্যাক্স নীতি যুগোপযোগী করা এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোর জন্য সমান সুযোগ তৈরি করা গেলে বাংলাদেশ অদূর ভবিষ্যতেই আঞ্চলিক অ্যাভিয়েশন হাব হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবে।
"একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক দেশীয় বিমান সংস্থা আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের মাধ্যমে অর্জিত রাজস্ব দেশে ধরে রাখতে সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. কামরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১টি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!