📌 কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ তুলা চাষের সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন চরাঞ্চল ও উপকূলীয় লবণাক্ত জমিতে। ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করতে সরকারি তহবিলের ঘাটতি থাকবে না বলে জানান তিনি
তুলা চাষের নতুন দিগন্ত খুলতে চরাঞ্চল ও উপকূলীয় লবণাক্ত জমিতে ফসলের সম্প্রসারণের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটের তুলা ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত তুলা দিবসের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, খাদ্যশস্য উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত মূল কৃষিজমিতে তুলা চাষ করা যাবে না। বরং চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় তুলা চাষের মাধ্যমে দেশের তুলা আমদানির চাপ কমাতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **চরাঞ্চল ও লবণাক্ত জমিতে তুলা চাষের নির্দেশ** দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
- 📌 **২০৩০ সালের মধ্যে ৫ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা** সামনে রেখে সরকারি তহবিলের ঘাটতি থাকবে না বলে জানান তিনি।
- 📌 **২ হাজার কোটি টাকার বেশি তহবিল** বর্তমানে মন্ত্রণালয়ে উন্নয়নমূলক কাজের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
- 📌 **তুলা চাষের ইতিহাস** উল্লেখ করে বলেন, ১৯৮০ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তুলা উন্নয়নের গোড়াপত্তন করেছিলেন।
- 📌 **রঙিন তুলাকে ‘কেমিক্যাল-ফ্রি কটন’** ঘোষণা করে শিশুদের পোশাক রপ্তানি করার সম্ভাবনা দেখিয়েছেন মন্ত্রী।
- 📌 **সুতা কলের মালিক ও তুলা উন্নয়ন বোর্ডের** কাছে গবেষণার আহ্বান জানান তিনি।
- 📌 **চাষিদের বিস্তারিত তথ্য** জমা দিতে বলেন মন্ত্রী, যাতে অর্থায়নের কোনো অভাব না হয়।
- 📌 **তুলার সঙ্গে হলুদ চাষের সাথী ফসলের ধারণা** প্রশংসা করেন তিনি।
📰 বিস্তারিত
তুলা চাষের সম্প্রসারণের মাধ্যমে বাংলাদেশের তুলা আমদানির চাপ কমাতে পারবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, “আমাদের জমি সীমিত। খাদ্যশস্য উৎপাদনে ব্যাঘাত না ঘটাতে চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় তুলা চাষ করতে হবে।” মন্ত্রী নিজের রপ্তানি অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “বিশ্ববাজারে ‘ভেজিটেবল ডাই’ বা ‘নো কেমিক্যাল’ ট্যাগ দিয়ে শিশুদের পোশাক দ্বিগুণ দামে বিক্রি হয়। রঙিন তুলাকে ‘কেমিক্যাল-ফ্রি কটন’ হিসেবে ঘোষণা করে শিশুদের পোশাক তৈরি ও রপ্তানি করা গেলে বাংলাদেশ তুলা খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারবে।”
২০৩০ সালের মধ্যে ৫ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে মন্ত্রী বলেন, “কোন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম বা কত নম্বর প্লটে কোন কৃষক কতটুকু জমিতে তুলা চাষ করছেন, তার বিস্তারিত তথ্যভান্ডার জমা দিতে হবে। চাষিদের তালিকা স্বচ্ছ হলে অর্থায়নের কোনো অভাব হবে না।” তিনি আরও বলেন, “কত বছরে কতটুকু উৎপাদন বাড়বে, তার স্পষ্ট রূপরেখা নিয়ে আসুন, মন্ত্রণালয় তা বাস্তবায়নে প্রস্তুত।”
তুলা উন্নয়ন বোর্ডের সাথী ফসলের ধারণার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, “তুলার সঙ্গে হলুদ চাষকে সাথী ফসলের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সব উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।” তিনি বলেন, “দেশের কল্যাণ ও আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলাই প্রতিটি পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত। কৃষিপণ্য রপ্তানির মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে বলেও জানান তিনি।
"আমাদের জমি সীমিত। খাদ্যশস্য উৎপাদনে যেন ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। ধান, গম বা ভুট্টার জন্য ব্যবহৃত প্রধান কৃষিজমিতে তুলা চাষ করা যাবে না। তার বদলে চরাঞ্চল ও উপকূলীয় লবণাক্ত জমিতে তুলা ফসল সম্প্রসারণ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফার্মগেট, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০০০ কোটি টাকা (তহবিল), ৫ লাখ বেল তুলা (লক্ষ্যমাত্রা), ২৩ হাজার টাকা (জরিমানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!