📌 বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈদেশিক ঋণের অর্থ সংরক্ষণ ও ব্যবহারে এফসি হিসাব খোলার সুযোগ চালু করেছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমোদিত বৈদেশিক অর্থায়নের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ ও ঋণ পরিশোধে সহজতর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে
বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বৈদেশিক ঋণের অর্থ সংরক্ষণ ও ব্যবহারে নতুন সুযোগ চালু করেছে। এফসি (ফরেন কারেন্সি) হিসাব খোলার মাধ্যমে অনুমোদিত বৈদেশিক অর্থায়নের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ ও ঋণ পরিশোধের জন্য সহজতর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংক একটি সার্কুলার জারি করে এই নতুন নির্দেশনা ঘোষণা করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান অনুমোদিত মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ ও ব্যবহার করতে পারবে এফসি হিসাব খোলার মাধ্যমে।
- 📌 আইবিএ (ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটি), বাংলাদেশ ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোনের অনুমোদন প্রাপ্য বৈদেশিক অর্থায়ন নেওয়ার জন্য।
- 📌 অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক ঋণগ্রহীতার নামে এফসি হিসাব খুলতে পারবে, যা বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণ ও ঋণ পরিশোধে সহায়তা করবে।
- 📌 আমদানি মূল্য ও প্রকৃত সেবা মূল্য পরিশোধ, স্থানীয় ক্রয় ও ঋণ কিস্তি পরিশোধের জন্য এফসি হিসাব থেকে অর্থ ব্যবহার করা যাবে।
- 📌 ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এফসি হিসাবের স্থিতির ওপর সুদ বা মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।
- 📌 ঋণ পরিশোধের জন্য সংরক্ষিত অর্থের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে — পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধের অর্থের চেয়ে বেশি রাখা যাবে না।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সার্কুলারে বলা হয়েছে, অনুমোদিত বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক অর্থায়ন নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ইনভেস্ট বাংলাদেশ অথরিটি (আইবিএ) ফরেন লোন/সাপ্লায়ার্স ক্রেডিট-সংক্রান্ত স্ক্রুটিনি কমিটি, বাংলাদেশ ব্যাংক বা স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোনের অনুমোদন প্রাপ্য। অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ ও ঋণচুক্তির শর্ত অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক ঋণগ্রহীতার নামে এফসি হিসাব খুলতে পারবে।
এফসি হিসাবের মাধ্যমে সংরক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রা বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে। সার্কুলারে বলা হয়েছে, প্রচলিত আমদানি নীতি আদেশ ও বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিবিধান অনুসরণ করে আমদানি মূল্য পরিশোধ করা যাবে। এছাড়া অনুমোদিত বৈদেশিক ঋণের আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প বা কাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রকৃত সেবার মূল্য ও অনুমোদিত স্থানীয় ক্রয়ের জন্য এফসি হিসাব থেকে অর্থ ব্যবহার করা যাবে।
ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী এসব হিসাবের স্থিতির ওপর সুদ বা মুনাফা পাওয়ার সুযোগ থাকবে। ঋণচুক্তিতে ঋণ পরিশোধের জন্য অর্থ সংরক্ষণের শর্ত থাকলে ঋণের মেয়াদ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এফসি হিসাব চালু রাখা যাবে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণের পরবর্তী তিনটি কিস্তি পরিশোধের জন্য যত অর্থ প্রয়োজন, তার বেশি বৈদেশিক মুদ্রা ওই হিসাবে রাখা যাবে না।
"বৈদেশিক ঋণের অর্থ ব্যবহারে অনুমোদিত উদ্দেশ্য ও ঋণচুক্তির শর্ত বজায় রেখেই এ সুবিধা নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রচলিত বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিবিধানও যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ অক্টোবর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!