📌 বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও ফিনটেক খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও লিথুয়ানিয়ার রাষ্ট্রদূতের বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে
ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও ফিনটেক খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত বৈঠকে অংশ নেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা ও ফিনটেক খাতে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে
- 📌 বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েন ও বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান
- 📌 বাংলাদেশের আইসিটি খাতের দক্ষ জনশক্তি ও ফ্রিল্যান্সারদের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে প্রবেশ করতে পারে
- 📌 লিথুয়ানিয়া বিশ্বমানের লেজার প্রযুক্তি, গভটেক ও ফিনটেক সেবায় অগ্রগামী দেশ হিসেবে পরিচিত
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যের পরিমাণ সীমিত হলেও দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। দেশে বিনিয়োগ প্রত্যাহার ও মুনাফা নিজ দেশে ফেরত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে স্থিতিশীল ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ রয়েছে।
লিথুয়ানিয়ার অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত ডায়ানা মিকেভিচিয়েন বলেন, লিথুয়ানিয়া বিশ্বমানের লেজার প্রযুক্তি, গভটেক ও ফিনটেক সেবায় অগ্রগামী দেশ। বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তর, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে লিথুয়ানিয়া অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিনিময়ে আগ্রহী। দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে কার্যকর অংশীদারত্ব গড়ে উঠলে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
"বাংলাদেশ ও লিথুয়ানিয়ার মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যের পরিমাণ সীমিত হলেও সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান আইসিটি খাত, দক্ষ তরুণ জনশক্তি ও ফ্রিল্যান্সারদের সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, ডায়ানা মিকেভিচিয়েন, মো. আতাউর রহমান খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!